Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
প্রতিবন্ধীদের ভরসা হোসনা আক্তার
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় মতামত

টেকসই কৃষি ও গ্রাম উন্নয়নে বাকৃবির অবদান এবং রাষ্ট্রীয় মূল্যায়নের প্রশ্ন

ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ১৯:৩৬
টেকসই কৃষি ও গ্রাম উন্নয়নে বাকৃবির অবদান এবং রাষ্ট্রীয় মূল্যায়নের প্রশ্ন

বাকৃবি ক্যাম্পাস। সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের অর্থনীতি, খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ সমাজব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে কৃষি। স্বাধীনতার পর দুর্ভিক্ষপীড়িত বাংলাদেশ আজ খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। এই দীর্ঘ পথচলায় নীতি নির্ধারক, কৃষক ও সম্প্রসারণ কর্মীদের পাশাপাশি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষক ও গবেষকরা।

দেশের প্রথম ও প্রধান কৃষিভিত্তিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টি শুধু কৃষি শিক্ষার প্রসারই ঘটায়নি, বরং বাংলাদেশের কৃষি বিপ্লব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের আধুনিকায়ন এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থার মজবুত ভিত্তি নির্মাণ করেছে। তবে প্রশ্ন থেকে যায়, জাতীয় জীবনে এই অসামান্য অবদানের বিপরীতে রাষ্ট্রীয়ভাবে কি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকরা যথাযথ মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি পেয়েছেন?

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল সাড়ে সাত কোটি মানুষের খাদ্য সংকট। তখন দেশের কৃষি উৎপাদন ছিল অত্যন্ত কম, প্রযুক্তি ছিল প্রাচীন এবং কৃষকরা ছিলেন আধুনিক জ্ঞান থেকে বঞ্চিত। এই প্রান্তিকালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা উচ্চফলনশীল ফসল, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, রোগব্যাধি নিয়ন্ত্রণ এবং মাটির উর্বরতা ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী গবেষণা শুরু করেন। প্রথমত, ধান ও গমের উৎপাদন বৃদ্ধিতে তারা এমন কিছু বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও জাত উদ্ভাবন করেন যা দেশের খাদ্য ঘাটতি পূরণে সরাসরি ভূমিকা রাখে।

দ্বিতীয়ত, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তারা চাষাবাদের পরিধি বহুলাংশে বৃদ্ধি করেন। তৃতীয়ত, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে তাদের ধারাবাহিক গবেষণা দেশে আমিষের চাহিদা পূরণে এক অভূতপূর্ব বিপ্লব নিয়ে আসে। চতুর্থত, কৃষিযান্ত্রিকীকরণে নতুন নতুন উদ্ভাবন কৃষকের শ্রম ও সময় দুই-ই সাশ্রয় করেছে। পঞ্চমত, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজ উন্নয়নে তাদের নীতিগত গবেষণা সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়নে দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করেছে। আজ দেশের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দেশের কৃষি প্রশাসনের এই মজবুত মেরুদণ্ড তৈরিতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনস্বীকার্য।

বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষির সামনে সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন। খরা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বন্যা ও উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ততা দেশের সামগ্রিক কৃষিকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। এই কঠিন বাস্তবতাকে মোকাবিলা করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। প্রথমত, তারা জলবায়ু সহনশীল ও স্বল্পমেয়াদী ফসলের জাত উদ্ভাবন করছেন— যা প্রতিকূল পরিবেশেও ভালো ফলন দিতে সক্ষম। দ্বিতীয়ত, রাসায়নিক সারের অপব্যবহার কমিয়ে টেকসই মাটি ব্যবস্থাপনার আধুনিক কৌশল তারা কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

তৃতীয়ত, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা এবং জৈব কৃষির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। চতুর্থত, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে ড্রোন, আইওটি এবং সেন্সরভিত্তিক স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে মাঠপর্যায়ে সফল গবেষণা চালানো হচ্ছে। এছাড়া কৃষি আজ শুধু খাদ্য উৎপাদনের বিষয় নয়; এটি গ্রামীণ অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, নারী ক্ষমতায়ন ও সামাজিক স্থিতিশীলতার সাথেও সম্পর্কিত। বাকৃবির কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ও কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগের গবেষণা এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম গ্রামীণ দারিদ্র্য হ্রাস ও কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত দিকনির্দেশনা দিয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গৌরবময় অবদান কেবল দেশের অভ্যন্তরেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এর স্বীকৃতি দৃশ্যমান। এই প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা বিশ্বের নামকরা আন্তর্জাতিক জার্নালে নিয়মিত তাদের গবেষণাপত্র প্রকাশ করছেন এবং আন্তর্জাতিক কৃষি নীতি নির্ধারণে অংশ নিচ্ছেন। প্রথমত, খাদ্য নিরাপত্তা ও ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার বিষয়ে তাদের বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধগুলো বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই যে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের এই মেধার মূল্যায়ন হলেও দেশের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় তারা প্রায়শই উপেক্ষিত থেকে যান।

বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সাধারণত বিজ্ঞান, সাহিত্য, প্রশাসন কিংবা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের যেভাবে দৃশ্যমান মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি দেওয়া হয়, কৃষি গবেষকদের ক্ষেত্রে তা দেখা যায় না এবং তারা তুলনামূলকভাবে অনেক কম স্বীকৃতি পান। যদিও কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি, তবুও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা অন্য অনেক খাতের তুলনায় অত্যন্ত সীমিত। প্রথমত, তাদের জন্য গবেষণা অনুদানের ব্যবস্থা খুবই অপ্রতুল। দ্বিতীয়ত, আধুনিক গবেষণাগার ও উন্নত যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরিধি ও সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রগুলো বেশ সীমিত। চতুর্থত, মানসম্মত গবেষণা প্রকাশনার জন্য যে ধরনের প্রণোদনা থাকা প্রয়োজন, তা পর্যাপ্ত নেই। পঞ্চমত, রাষ্ট্রীয় পদক ও সম্মাননা প্রদানের ক্ষেত্রে কৃষি বিজ্ঞানীদের অবদানকে যথেষ্ট মূল্যায়ন করা হয় না।

বাংলাদেশে চিকিৎসা, প্রকৌশল কিংবা সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের কাজের চেয়ে কৃষি গবেষকদের কাজ সরাসরি জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। কিন্তু এত কিছুর পরও সমাজে তাদের সামাজিক মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় দৃশ্যমানতা তুলনামূলকভাবে অনেক কম। অনেক সময় সমাজ এই কৃষি গবেষণাকে একটি ‘কম আকর্ষণীয়’ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। অথচ দেশের মানুষের মৌলিক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পুষ্টির চাহিদা পূরণ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পেছনে এই খাতের অবদানই সবচেয়ে মৌলিক ও প্রধান ভিত্তি।

এই সামগ্রিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন জাগে, কেন অধিক মূল্যায়ন প্রয়োজন?

ভবিষ্যতের জাতীয় চ্যালেঞ্জগুলো সফলভাবে মোকাবিলা করার জন্যই এই কৃষি গবেষকদের রাষ্ট্রীয়ভাবে আরও বেশি মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন। কারণ বাংলাদেশ আগামী দিনে বেশ কিছু জটিল সংকটের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। প্রথমত, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তীব্র খরা, বন্যা ও লবণাক্ততার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাড়বে। দ্বিতীয়ত, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও শিল্পায়নের কারণে আবাদি কৃষিজমি ক্রমাগত হ্রাস পাবে। তৃতীয়ত, দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে বিপুল এই জনগোষ্ঠীর খাদ্যের চাহিদা মেটানো কঠিন হয়ে পড়বে। চতুর্থত, সবার জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ সামনে আসবে। পঞ্চমত, জলবায়ু ও বাজার সংকটের কারণে কৃষকের আয় সংকট আরও তীব্র রূপ ধারণ করতে পারে। এই সমস্ত বহুমাত্রিক জাতীয় সংকট ও চ্যালেঞ্জগুলো দূরদর্শিতার সাথে মোকাবিলা করতে আগামী দিনে কৃষি গবেষকদের ভূমিকাই হবে দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য।

এই লক্ষ্যগুলো অর্জনের জন্য এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণে রাষ্ট্রীয় নীতিতে কিছু জরুরি পরিবর্তন আনা অত্যন্ত প্রয়োজন। প্রথমত, জাতীয় বাজেটে কৃষি গবেষণার জন্য বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করতে হবে। দ্বিতীয়ত, গবেষকদের বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধা ও গবেষণার অনুকূল পরিবেশ প্রদান করা জরুরি। তৃতীয়ত, একুশে পদক বা স্বাধীনতা পদকের মতো সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ও সম্মাননায় দেশের কৃষি বিজ্ঞানীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। চতুর্থত, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে জাতীয় দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। পঞ্চমত, ল্যাবরেটরির নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে মাঠপর্যায়ে ও কৃষকের আঙিনায় দ্রুত সম্প্রসারণের জন্য একটি আধুনিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

পরিশেষে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে বলা যায়, বাংলাদেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ এবং টেকসই কৃষির ভিত নির্মাণে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের অবদান ঐতিহাসিক ও অনস্বীকার্য। তারা সর্বদা প্রচারের আড়ালে থেকে নীরবে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন, কিন্তু সেই ত্যাগের তুলনায় রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন এখনও পর্যাপ্ত নয়। যে জাতি তার কৃষি বিজ্ঞানীদের উপযুক্ত সম্মান ও মর্যাদা দিতে পারে না, সে জাতি দীর্ঘমেয়াদে নিজস্ব খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে না। তাই সময় এসেছে কৃষি গবেষকদের এই অসামান্য অবদানকে শুধু একাডেমিক বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিসরে সীমাবদ্ধ না রেখে, সামগ্রিক জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ মর্যাদা ও স্বীকৃতি দেওয়ার।


লেখক : শিক্ষক ও গবেষক
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
[email protected]

বাকৃবি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    নারীদের জন্য সড়কে গোলাপি বাস নামছে মঙ্গলবার

    নারীদের জন্য সড়কে গোলাপি বাস নামছে মঙ্গলবার

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৯:২৯

    বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ১০ বছরের পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরা হবে

    বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ১০ বছরের পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরা হবে

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২৪

    শোলাকিয়া মাঠে ১৭ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প

    শোলাকিয়া মাঠে ১৭ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫১

    নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

    নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২৮

    ‘হাসিনা ইস্যুতে’ আটকে গেল প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর!

    ‘হাসিনা ইস্যুতে’ আটকে গেল প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর!

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২৩:০০

    বাংলাদেশ আমাদের উড়িয়ে দিয়েছে

    বাংলাদেশ আমাদের উড়িয়ে দিয়েছে

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৪১

    যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসায় বড় পরিবর্তন

    যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসায় বড় পরিবর্তন

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৭

    প্রতিবন্ধীদের ভরসা হোসনা আক্তার

    প্রতিবন্ধীদের ভরসা হোসনা আক্তার

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১৭

    কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে ডাক না পেয়ে মিঠুনের খোঁচা, ‘আমি তো তুচ্ছ শিল্পী’

    কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে ডাক না পেয়ে মিঠুনের খোঁচা, ‘আমি তো তুচ্ছ শিল্পী’

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫২

    শেখ হাসিনার বিলম্ব মওকুফের সুযোগ নেই: প্রসিকিউটর

    শেখ হাসিনার বিলম্ব মওকুফের সুযোগ নেই: প্রসিকিউটর

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫২

    ঢাবির এফএইচ হলের প্রভোস্ট অবরুদ্ধ

    ঢাবির এফএইচ হলের প্রভোস্ট অবরুদ্ধ

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫৮

    গ্যাস দুর্যোগই বড় চ্যালেঞ্জ

    গ্যাস দুর্যোগই বড় চ্যালেঞ্জ

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২৩

    ইতালির জাদুঘর থেকে রেনেসাঁ যুগের ৪ শিল্পকর্ম চুরি

    ইতালির জাদুঘর থেকে রেনেসাঁ যুগের ৪ শিল্পকর্ম চুরি

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫১

    মুনাফা করেও ৭ মিউচুয়াল ফান্ডে লভ্যাংশ নেই

    মুনাফা করেও ৭ মিউচুয়াল ফান্ডে লভ্যাংশ নেই

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৩

    পে-স্কেলে আশা, কাটেনি অস্থিরতা

    পে-স্কেলে আশা, কাটেনি অস্থিরতা

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪১

    advertiseadvertise