Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনামূল্যে চিকিৎসার ছয় দশক
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিশ্লেষণ

তাবাসের ৪৬ বছর পর ইস্ফাহানে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ‘অপারেশন ঈগল ক্ল’

আশরাফুর রহমান
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩:০৯
তাবাসের ৪৬ বছর পর ইস্ফাহানে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ‘অপারেশন ঈগল ক্ল’

ছবিঃ আগামীর সময়

ইরানের তাবাস মরুভূমিতে ১৯৮০ সালের ব্যর্থ মার্কিন সামরিক অভিযানের স্মৃতি যেন আবার ফিরে এল ৪৬ বছর পর। ইরানের দাবি, দক্ষিণ ইস্ফাহান প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোপন কমব্যাট সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (সিএসএআর) মিশন গত রোববার (৫ এপ্রিল) ভোরে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সি-১৩০ হারকিউলিস পরিবহন বিমান ও দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ধ্বংস হয়েছে। নিহত হয়েছেন কমপক্ষে পাঁচ মার্কিন সেনা।

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি), পুলিশ কমান্ডো ইউনিট, বাসিজ স্বেচ্ছাসেবক এবং নিয়মিত সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে পরিচালিত এ অভিযানকে ইরানি কর্মকর্তারা দেশের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরছেন। ইরানি বিশ্লেষকেরা ঘটনাটিকে ‘দ্বিতীয় তাবাস’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

যে প্রেক্ষাপটে উদ্ধার অভিযান

ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার। ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ওই দিন একটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান এবং একটি ‘এ-১০ থান্ডারবোল্ট II’ বিমান ভূপাতিত করে। পাশাপাশি একাধিক এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানানো হয়। ওই ঘটনায় এক মার্কিন পাইলট নিহত বা নিখোঁজ হন। তাকে উদ্ধারের লক্ষ্যেই যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী সময়ে একটি গোপন সিএসএআর মিশন শুরু করে।

ইরানি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ ইস্ফাহানের একটি পরিত্যক্ত বিমানবন্দরকে অস্থায়ী ঘাঁটি বানিয়ে ‘প্রতারণা ও দ্রুত পলায়ন’ পরিকল্পনা করেছিল মার্কিন বাহিনী। কিন্তু গত রবিবার ভোর ৯টা ২০ মিনিটের কিছু পরেই তাদের ফাঁদে পড়তে হয়।

যেভাবে ব্যর্থ হয় অভিযান

ইরানি সামরিক সূত্র অনুযায়ী, গত রবিবার ভোরের দিকে মার্কিন বাহিনীর বিমান ও হেলিকপ্টারগুলো নির্ধারিত এলাকায় নামার চেষ্টা করলে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের লক্ষ্য করে অভিযান চালায়।

প্রথম ধাপে পুলিশ কমান্ডো ইউনিটের গুলিবর্ষণে একটি সি-১৩০ বিমান অচল হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে আইআরজিসির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও একটি সি-১৩০ এবং দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে।

ইস্ফাহানে মার্কিন বিমান ও হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ

বিধ্বস্ত বিমানের ধোঁয়া ও ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রেস টিভি এবং ইরানি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে তা সঙ্গে সঙ্গেই তাবাসের কালো-সাদা ছবির সঙ্গে তুলনা টানে।

পূর্ববর্তী পরাজয় থেকে জন্ম নেওয়া মরিয়া উদ্ধার

গত শনিবারের ঘটনাগুলো আলাদাভাবে বোঝা যাবে না। এগুলো ছিল ৩ এপ্রিল আমেরিকার বিমান শক্তিতে আঘাত হানা কালো দিনের সরাসরি পরিণতি, যখন ইরানি সমন্বিত আকর্ষণ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক মধ্য ইরানের ওপর একটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল, পারস্য উপসাগরের ওপর একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট II, একাধিক এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন, হার্মিস পুনরুদ্ধার প্ল্যাটফর্ম এবং ক্রুজ মিসাইল ভূপাতিত করে।

এফ-১৫ই, একটি টুইন-সিট মাল্টিরোল স্ট্রাইক ফাইটার যার মূল্য ৯০ মিলিয়ন ডলারের বেশি, মধ্য ইরানের কোহকিলুইয়ে ও বুয়ের-আহমাদ প্রদেশে আঘাতের ফলে বিধ্বস্ত হয়।

খাতামুল আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র লেফট্যানেন্ট কর্নেল ইব্রাহিম জুলফাকারি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘দক্ষিণ ইস্ফাহানে আক্রমণকারী বিমান, যার মধ্যে দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার এবং দুটি সি-১৩০ সামরিক পরিবহন বিমান, আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে এবং এখন ইসলামের বীর যোদ্ধাদের ক্রোধের আগুনে পুড়ছে।’

২৮ ফেব্রুয়ারি আগ্রাসন শুরুর পর প্রথমবারের মতো, ওয়াশিংটন কেবল স্ট্রাইক বিমানই নয়, বরং ভূপাতিত পাইলট উদ্ধারের জন্য নকশাকৃত প্ল্যাটফর্মগুলোও হারিয়েছে – যা কমব্যাট সার্চ-অ্যান্ড-রেসকিউ ডকট্রিনের একটি বিপর্যয়কর ব্যর্থতা।

ট্রাম্পের ‘বিজয়’ বনাম ইরানের ‘ঐশিক প্রতিশোধ’

ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করেন, একটি ‘সাহসী ও অলৌকিক’ অভিযানে কোনো হতাহত ছাড়াই পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ইরানি সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ ধ্বংসপ্রাপ্ত সি-১৩০-এর ছবি পোস্ট করে কটাক্ষ করেন, আমেরিকা যদি এমন আরও তিনটি ‘বিজয়’ পায়, তাহলে তাদের ধ্বংস অনিবার্য।

ইরানি সামরিক বিশ্লেষকেরা প্রশ্ন তুলেছেন, উদ্ধারকৃত পাইলটের কোনো ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করেনি পেন্টাগন। অথচ ইরানি বাহিনী বিধ্বস্ত মার্কিন বিমানের ভূ-অবস্থানসহ ছবি ও ভিডিও ইতোমধ্যে বিশ্বমিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে।

তাবাসের ৪৬ বছর: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি?

মনোরম বাগান ও মহিমান্বিত সৌধের জন্য পরিচিত ইস্ফাহানের ওপর ধোঁয়া পরিষ্কার হওয়ার আগেই ইরানি কর্মকর্তা এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা একটি অস্পষ্ট ঐতিহাসিক সমান্তরাল টেনে আনেন: ১৯৮০ সালের এপ্রিলের ব্যর্থ যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন ঈগল ক্ল’।

‘অপারেশন ঈগল ক্ল’ অভিযানের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য ছিল ইরানের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বোমা হামলা চালানোর পাশাপাশি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের শাসনব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের হত্যা করা এবং তারপর ইরানে একটি মার্কিন সমর্থিত সরকার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু তাবাসের প্রত্যন্ত মরুভূমিতে বিপর্যয়ের মধ্যে শেষ হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেবল সামরিক পরাজয়ই নয়, বৈশ্বিক অপমানও ভোগ করেছিল।

মরুভূমির কেন্দ্রস্থলে অভিযানের পতন

১৯৮০ সালের ২০ মে মার্কিন বাহিনী ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। প্রথম নজরে সবকিছু পরিকল্পনা অনুসারেই এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছিল। তবে তাবাসে প্রকৃতি তাদের স্বাগত জানিয়েছিল এবং একটি হিংস্র বালির ঝড় দেখা দেয় যার ফলে তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে।

তাবাস মরুভূমিতে মার্কিন বাহিনীর বিপর্যয়

পাঠানো আটটি হেলিকপ্টারের মধ্যে একটি মাঝপথ থেকে ফিরে আসে, দ্বিতীয়টি কারিগরি ত্রুটির শিকার হয় এবং তৃতীয়টি ঝড়ের কবলে পড়ে বিধ্বস্ত হয়। পাঁচটি হেলিকপ্টার অবশিষ্ট থাকায় প্রয়োজনীয়তার তুলনায় কম থাকায় অভিযান বাতিল করা হয়। তবে, এলাকা ছেড়ে যাওয়ার সময় একটি হেলিকপ্টার একটি সি-১৩০ বিমানের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় যার ফলে একটি বিশাল বিস্ফোরণ ঘটে যার ফলে ৮ জন আমেরিকান সৈন্য নিহত হয় এবং সরঞ্জাম ধ্বংস হয়। অবশেষে অবশিষ্ট বাহিনী আতঙ্কে পিছু হটে।

ইমাম খোমেনী (রহ): ‘বালু ছিল আল্লাহর দূত’

যখন যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের ব্যর্থতার খবর ইরানে পৌঁছায় তখন ইরানজুড়ে মানুষ রাস্তায় নেমে আসে এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের মহান প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনী (রহ.) এক ঐতিহাসিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমরা বালিকে আল্লাহর দূত মনে করি।’ এই বাক্যটি জাতীয় আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হয়ে ওঠে এবং জনগণ বুঝতে পারে যে আল্লাহ এবং ঐক্যের ওপর নির্ভর করে তারা যেকোনো শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

সেই সময় বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদপত্র এবং টেলিভিশন স্টেশনগুলো এই ঘটনাটিকে ‘মরুভূমিতে একটি পরাশক্তির অপমান’, ‘তাবাসে কার্টারের জন্য একটি বিপর্যয়’ এবং ‘আমেরিকা ইরানের বালির কাছে আত্মসমর্পণ করেছে’ শিরোনাম দিয়ে বিশ্লেষণ করেছিল। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাক্কালে তাবাস অভিযানের ব্যর্থতা তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের ভাবমূর্তির ওপর প্রচণ্ড আঘাত হানে এবং নির্বাচনে তার পরাজয় ও রোনাল্ড রিগ্যানের জয়ের অন্যতম কারণ ছিল।

তাবাস থেকে ইস্ফাহান

১৯৮০ সালের তাবাস অভিযান প্রধানত আবহাওয়া ও যান্ত্রিক সমস্যার কারণে ব্যর্থ হয়েছিল, যেখানে ২০২৬ সালের ইস্ফাহান পরাজয় ছিল ইচ্ছাকৃত, সমন্বিত ইরানি প্রতিরক্ষামূলক কর্মের ফল।

ইরানি বাহিনী প্রকৃতির জন্য মার্কিনীদের পরাজিত করার অপেক্ষা করেনি; তারা দেশীয়ভাবে উন্নত অস্ত্র, রিয়েল-টাইম ইন্টেলিজেন্স ইন্টিগ্রেশন এবং আইআরজিসি, পুলিশ কমান্ড এবং বাসিজ স্বেচ্ছাসেবীদের সাহসিকতা ব্যবহার করে তাদের সরাসরি ধ্বংস করেছে।

সিএসএআর ডকট্রিনের সমাধি

সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইস্ফাহানের এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের কমব্যাট সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (সিএসএআর) ডকট্রিনের কার্যকারিতার ওপর বড় আঘাত হেনেছে। সি-১৩০ ও ব্ল্যাক হকের মতো বিশেষায়িত উদ্ধার প্ল্যাটফর্ম ধ্বংস হওয়ার অর্থ হলো – ইরানের আকাশে কোনো মার্কিন বিমান, স্ট্রাইকার হোক বা রেসকিউয়ার, নিরাপদ নয়।

ইরানের পক্ষ থেকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, আমেরিকা ও ইসরায়েলের আগ্রাসন যত দিন চলবে, ইরানের আকাশ তাদের জন্য জাহান্নাম হয়ে থাকবে।

লেখক: ইরানপ্রবাসী সাংবাদিক ও পশ্চিম এশিয়াবিষয়ক বিশ্লেষক  

ইরান যুদ্ধব্যর্থমার্কিন বাহিনীযুদ্ধবিমান ধ্বংস
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে  হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    প্রিয় ৫ বই

    প্রিয় ৫ বই

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    মেয়ের বিচ্ছেদ হওয়ায় দুধ দিয়ে গোসল করলেন মা!

    মেয়ের বিচ্ছেদ হওয়ায় দুধ দিয়ে গোসল করলেন মা!