ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় নৌপুলিশের বিশেষ নজরদারি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে সারা দেশের নৌপথে বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে নৌপুলিশ। গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট ও নৌরুটগুলোতে টহল জোরদারের পাশাপাশি অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
আজ সোমবার রাতে নৌপুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মো. রেজাউল করিমের দিকনির্দেশনায় ঈদকে কেন্দ্র করে নৌপুলিশের আওতাধীন দুটি বিভাগের ১১টি অঞ্চলে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উত্তর বিভাগের ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজশাহী, টাঙ্গাইল, সিলেট ও কিশোরগঞ্জ এবং দক্ষিণ বিভাগের চাঁদপুর, বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন ইউনিটের গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাটে নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি সদরঘাট, পাটুরিয়া, দৌলতদিয়া, শিমুলিয়া, কাজিরহাট ও আরিচাসহ গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাটগুলোতে অতিরিক্ত নৌপুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। তারা ২৪ ঘণ্টা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন।
নৌপুলিশ জানায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আওতাধীন ১৭০টি ডিউটি পোস্টে মোট ১ হাজার ১৪৩ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। তারা নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যাত্রীসেবামূলক কার্যক্রমও পরিচালনা করছেন।
নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, জলযানে পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট সংরক্ষণ নিশ্চিতকরণ, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন প্রতিরোধ এবং অসুস্থ যাত্রীদের সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে হকার ও মলম পার্টির দৌরাত্ম্য রোধেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
নৌপথে চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নৌপুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কোরবানির পশুবাহী জলযানে হয়রানি ও চাঁদাবাজি ঠেকাতে আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোর পুলিশ সুপারদের নেতৃত্বে নিয়মিত টহল ও নজরদারি চালানো হচ্ছে।
নৌপুলিশের এই বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম গত ২২ মে শুরু হয়েছে এবং আগামী ২ জুন পর্যন্ত চলবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।






