পোশাক শ্রমিকদের জন্য গঠিত মজুরি বোর্ডে কারা আছেন

শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভের মধ্যে পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামো তৈরিতে ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠন করেছে সরকার।
আজ রবিবার সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
বোর্ডে আছেন যারা
বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে বিচারপতি আশফাকুর রহমানকে।
এতে নিরপেক্ষ সদস্য করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মুসলিউদ্দিন আহমেদকে।
মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রাখা হয়েছে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব আসিফ আইয়ুবকে।
বোর্ডে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি করা হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেনকে।
এছাড়া তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম শামসুদ্দিন।
বোর্ডে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে সদস্য করা হয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আক্তারকে।
এর আগে ২০২৩ সালের এপ্রিলে পোশাক শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। সেসময় বোর্ডে বাংলাদেশ জাতীয় পোশাক শ্রমিক কর্মচারী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রনি ও বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমানকে যথাক্রমে মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বোর্ডে সিনিয়র জেলা জজ লিয়াকত আলী মোল্লাকে চার স্থায়ী সদস্য বিশিষ্ট মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়। বোর্ডের অন্য স্থায়ী সদস্যরা ছিলেন- বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের প্রতিনিধি মকসুদ বেলাল সিদ্দিকী, শ্রমিক প্রতিনিধি ও জাতীয় শ্রমিক লীগ নেতা সুলতান আহমেদ এবং স্বতন্ত্র সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন।
তৈরি পোশাকশ্রমিকদের সর্বশেষ ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করা হয়েছিল ২০২৩ সালের নভেম্বরে। সেসময় ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়। এক্ষেত্রে মজুরি বেড়েছিল ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ। ওই মজুরিকাঠামোয় সাতটির বদলে পাঁচটি গ্রেডও করা হয়েছিল।



