হজ কার্যক্রমে অংশ নিতে প্রথম ধাপে ৩৫৭ এজেন্সিকে অনুমতি

আগামী বছর হজ কার্যক্রমে অংশ নিতে শর্তসাপেক্ষে প্রথম পর্যায়ে ৩৫৭টি এজেন্সিকে অনুমতি দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। আজ রবিবার এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের শর্তে বলা হয়, তালিকার কোনো এজেন্সি যৌক্তিক কারণ ছাড়া ২০২৭ হজ মৌসুমে হজযাত্রী নিবন্ধন (প্রাক-নিবন্ধন নয়) না করলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হজযাত্রী নিবন্ধনের আগে যোগ্য তালিকাভুক্ত এজেন্সিগুলোকে পারস্পরিক সমন্বয়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রুপ গঠন করতে হবে।
সৌদি সরকারের নির্ধারিত এজেন্সিপ্রতি ন্যূনতম হজযাত্রীর কোটা কোনো এজেন্সি এককভাবে বা সমন্বয়ের মাধ্যমে পূরণ করতে পারলে সেই এজেন্সি হজযাত্রী পাঠাতে পারবে।
এতে বলা হয়, এজেন্সিগুলোকে ই-হজ সিস্টেমে ঘোষিত প্যাকেজ নির্ধারণ করে হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এই প্যাকেজই হজযাত্রী ও এজেন্সির মধ্যে চুক্তিপত্র হিসেবে বিবেচিত হবে। প্যাকেজে সৌদি আরবে প্রদেয় সেবা, অবস্থানকাল, হোটেলের দূরত্ব এবং প্যাকেজের মূল্য বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করতে হবে।
প্রত্যেক এজেন্সিকে ন্যূনতম ৪৪ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করতে হবে। অর্থাৎ একজন গাইডের জন্য নির্ধারিত সমসংখ্যক হজযাত্রী হলে এজেন্সিটি সমন্বয়ে অংশ নিতে পারবে। অন্যথায় লিড এজেন্সির আওতাধীন অন্য কোনো এজেন্সিতে হজযাত্রী স্থানান্তরের (ট্রান্সফার) মাধ্যমে তাদের হজ পালন নিশ্চিত করতে হবে।
শর্তে বলা হয়, প্রতি ৪৪ জন হজযাত্রীর জন্য আরবি ভাষায় দক্ষ, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞানসম্পন্ন এবং হজ পরিচালনায় অভিজ্ঞ একজন হজ গাইড নিয়োগ দিতে হবে। ই-হজ সিস্টেমে গাইড যুক্ত করার সময় তার পাসপোর্টের তথ্য ও হজের অভিজ্ঞতার তথ্য দিতে হবে। অনিবন্ধিত কোনো ব্যক্তিকে হজযাত্রী হিসেবে সৌদি আরবে নেওয়া যাবে না। কোনো এজেন্সি এমন উদ্যোগ নিলে কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরে কোনো এজেন্সি হালনাগাদ তথ্যসহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই শেষে তাদের নাম পরবর্তী যোগ্য তালিকায় প্রকাশ করা হবে। যোগ্য তালিকা প্রকাশের পর কোনো এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে শাস্তি দেওয়া হলে কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই সেই এজেন্সির নাম তালিকা থেকে বাতিল করা হবে।
এজেন্সিগুলোকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়নের শর্তে যোগ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেসব এজেন্সির লাইসেন্সের মেয়াদ আগামী বছরের জুনের মধ্যে শেষ হবে, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়নের আবেদন করতে হবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিটি এজেন্সিকে হালনাগাদ হজ লাইসেন্স, ট্রাভেল লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স এবং আয়কর সনদ জমা দিয়ে ঢাকা হজ অফিসের পরিচালকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে। যোগ্য তালিকাভুক্ত এজেন্সি ছাড়া অন্য সব এজেন্সির প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। পরে যোগ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম চালু করা হবে।




