হামে তিন শিশুর মৃত্যু, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ১৫৮ ব্যক্তি

হাম ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ/প্রতীকী ছবি
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত মারা গেছে হয়ে আরো তিন শিশু। এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ৭৫৩-এ। এরমধ্যে সন্দেহজনক হামে মারা গেছে ৬৬০ জন। আর নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৩ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিন থেকে উঠে এসেছে হামের এই চিত্র। দেশে হামের প্রাদুর্ভাব হওয়ার পরে গত ১৫ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নতুন করে হামের হিসাব রাখছে। হামের উপসর্গে মৃত তিন শিশুর একজন ঢাকায়, একজন সুনামগঞ্জে ও একজন নোয়াখালী মারা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য আরো বলছে, গেলো ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়েছে ৭২০ জন। আর মার্চ থেকে সন্দেহজনক হামে এ বছর এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৬০১ শিশু। এ সময় হাম শনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ৪১০ শিশুর। ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৩ হাজার ৪৯১ জন। আর হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৭৬২ জন।
হামের পাশাপাশি চলছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। গত মে থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তবে জুন মাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৫৮ রোগী। এই সপ্তাহে মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালেও আগের তুলনায় বেশিসংখ্যক মানুষ ভর্তি হয়েছে। এ বছরের পয়লা জানুয়ারি থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭ হাজার ৯৭৩ জন। চলতি বছর মারা গেছে ২৪ জন, তবে গেলো ২৪ ঘণ্টায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে মশার প্রজনন বেশি থাকে। সাধারণত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। তবে বর্ষাকাল প্রলম্বিত হলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়। তখন অক্টোবর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগীর দেখা মিলতে পারে।




