কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে উদ্ধার ৩০ বাংলাদেশি ফিরছেন কাল

কম্বোডিয়া থেকে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে বাংলাদেশে আসবেন ৩০ বাংলাদেশি। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া
কম্বোডিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ৩০ বাংলাদেশি কর্মী আগামীকাল মঙ্গলবার দেশে ফিরছেন। থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দুপুরে তাদের ঢাকায় আসার কথা রয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের প্রবাসী কল্যাণ শাখা থেকে ব্যাংককে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিবকে পাঠানো এক চিঠিতে তাদের মুক্তি ও দেশে ফেরানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বোর্ডের উপপরিচালক (আইআরপি) মোহাম্মদ জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আটক বাংলাদেশিদের মুক্ত করে দ্রুত দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেন বিমানবন্দরে দেশে ফেরার উদ্দেশে গেলে ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩২ বাংলাদেশিকে আটক করে। পরে দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন।
আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে দালাল চক্র এসব কর্মীকে কম্বোডিয়ায় নিয়ে যায়। সেখানে তাদের অনেককে জোরপূর্বক সাইবার প্রতারণাকেন্দ্রে আটকে রেখে অনলাইন প্রতারণার কাজে বাধ্য করা হতো। পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ওপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগও রয়েছে।
পরবর্তী সময়ে কম্বোডিয়া সরকারের নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় দেশে ফেরার উদ্দেশে গত ৩ সেপ্টেম্বর তারা বিমানবন্দরে যান। তবে ইমিগ্রেশন যাচাইয়ের সময় অবৈধ অবস্থান ও অন্যান্য জটিলতার কারণে তাদের আটক করে পুলিশ।
আটক থাকা ৩০ বাংলাদেশি হলেন—মো. হারুন অর রশীদ, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, মো. তারলিব হাসান তিতুল, সুমিত চন্দ্র দাস, রাকিব হোসেন, বাপ্পি দাস, মো. লাবন শেখ, মো. আবদুর রহমান, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মোস্তফা, নূর নবী, মো. ইমন আলী, মো. বারকাতুল্লাহ, মো. রুবেল মিয়া, আলী আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, শামসুল আলম, মো. আবদুর রহমান, আবু জাহের সবুজ, শাওন, নাহিদ ঢালি, রাজু হোসেন, মো. তৈয়ব আলী শেখ, সাইমন ভূঁইয়া, মো. রাশেদুল, মো. আকাশ আহমেদ, মো. শিমুল আলী, আশিকুর রহমান, মো. আলামিন পিকে ও মোহাম্মদ কবির।



