মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
দশ দিনে ৪৫ গুণীজনকে স্মরণ করছে শিল্পকলা

ছবি: আগামীর সময়
জাতীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য অনুষ্ঠানের আযোজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। ১০ দিনব্যাপী এই আয়োজনে ৪৫ গুণীজনকে স্মরণ করা হচ্ছে। গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে প্রথম পর্বে স্মরণ করা হয় পণ্ডিত রবিশঙ্করকে। এতে মুখ্য আলোচক ছিলেন ইউনিভার্সিটি অফ ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভের সংগীত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক অসিত দে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শিল্পকলা একাডেমির সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক মেহজাবীন রহমান। এ আযোজনে সেতার বাজান নিশীত দে এবং একক নৃত্য (তারানা) পরিবেশন করেন এস এম হাসান ইশতিয়াক।
বিকাল ৫টায় স্মরণ করা হয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁকে। এতে মুখ্য আলোচক ছিলেন সংগীতশিল্পী ফওজিয়া খান ও সেতার বাজান ফিরোজ খান ও জ্যোতি ব্যানার্জী।
সন্ধ্যা ৬টায় স্মরণ করা হয় উপমহাদেশীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের কিংবদন্তি ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁকে এবং সন্ধ্যা ৭টায় স্মরণ করা হয় ব্রতচারী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত গুরু সদয় দত্তকে।
এর আগে গত সোমবার বিকাল ৪টায় জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে দিনের প্রথম আয়োজনে স্মরণ করা হয় লোক সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার ওস্তাদ মোমতাজ আলী খানকে। অনুষ্ঠানে একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী তাহসিন খান ও নারায়ণ চন্দ্র শীল।
বিকাল ৫টায় স্মরণ করা হয় ওস্তাদ আলী আকবর খানকে। এই সঙ্গীতজ্ঞকে নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন অধ্যাপক রিনাত ফৌজিয়া। অনুষ্ঠানে একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী রিনাত ফৌজিয়া ও ইউসুফ খান।
সন্ধ্যা ৬টায় স্মরণ করা হয় ওস্তাদ গুল মুহাম্মদ খাঁকে। তিনি ছিলেন প্রখ্যাত ধ্রুপদ ও খেয়াল ধারার সঙ্গীতশিল্পী। অনুষ্ঠানে একক সংগীত পরিবেশন করেন ইমামুর রশিদ খান ও মিরাজুল জান্নাত সোনিয়া।
সন্ধ্যা ৭টায় স্মরণ করা হয় সঙ্গীতজ্ঞ, সঙ্গীতগ্রন্থ প্রণেতা ও উচ্চাঙ্গসংগীত শিল্পী ওস্তাদ মুন্সী রইসউদ্দিনকে। তার জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন এজাজ ফারাহ। অনুষ্ঠানে একক সংগীত পরিবেশন করেন এজাজ ফারাহ ও সুস্মিতা দেবনাথ সুচি।






