Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সংস্কৃতি

স্মরণানুষ্ঠান

কবি আল মুজাহিদী ছিলেন মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ২১:৫৮
কবি আল মুজাহিদী ছিলেন মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ

বাংলাদেশ কৃষ্টি ও সংস্কৃতি কেন্দ্র আয়োজন করে কবি আল মুজাহিদীর স্মরণসভা

বাংলা সাহিত্যে কবি আল মুজাহিদীর পরিচয় একজন নিবেদিতপ্রাণ সাহিত্য-সম্পাদক হিসেবে। সাহিত্যচর্চায় আপসহীনতা, জাতীয়তাবাদী চেতনা, নৈতিক দৃঢ়তা এবং নতুন লেখকদের প্রতি অকৃত্রিম দায়বোধ তাকে সমকালীন সাহিত্যাঙ্গনে অনন্য মর্যাদা দিয়েছে বলে উঠে এসেছে স্মরণানুষ্ঠানের আলোচনায়। বক্তাদের মতে, দল বা মতের পরিচয়ে নয়, আল মুজাহিদীকে স্মরণ করা উচিত তার সাহিত্যকর্ম, সম্পাদনার প্রজ্ঞা এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার জন্য।

গত ১৯ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আল মুজাহিদী। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাঁটাবনের পাঠক সমাবেশে বাংলাদেশ কৃষ্টি ও সংস্কৃতি কেন্দ্র আয়োজন করে কবি আল মুজাহিদীর স্মরণসভা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্সি বিভাগের অধ্যাপক শাকির সবুর বলছিলেন, প্রায় ৩০ বছর ধরে আল মুজাহিদী দৈনিক ইত্তেফাকের সাহিত্য পাতা সম্পাদনা করেছেন। সে সময়ে ইত্তেফাকের সাহিত্য পাতায় কারও লেখা প্রকাশিত হলে লেখক নিজেকে প্রতিষ্ঠিত মনে করতেন। লেখা নির্বাচনের ক্ষেত্রে আল মুজাহিদী ছিলেন সচেতন ও বিচক্ষণ। নতুন লেখক খুঁজে বের করতে তার বিশেষ আগ্রহ ছিল এবং অসংখ্য লেখককে সাহিত্যাঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।

কবি সালেম সুলেরী আল মুজাহিদীর সাহিত্যকর্ম ও ব্যক্তিত্বের নানা দিক তুলে ধরে বলেন, তাকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার না দেওয়া দুঃখজনক। এ সময় তিনি মুক্তিযোদ্ধা কবিকে স্বাধীনতা পদক দেওয়ারও দাবি জানান।

কবি আসাদ কাজল বলেন, আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত তার পরিবার ও সাহিত্যাঙ্গন। তিনি সত্য, আবেগ ও ভালোবাসা থেকে যা বিশ্বাস করতেন, তাই লিখেছেন ও করেছেন। জীবদ্দশায় অসংখ্য কবি-সাহিত্যিক তার কাছে গিয়েছেন, তাদের লেখা প্রকাশিত হয়েছে; কিন্তু তার কঠিন সময়ে অনেকেই পাশে দাঁড়াননি।

নটরডেম কলেজের অধ্যাপক জমির হোসেন বলেন, আল মুজাহিদী বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে আগলে রেখেছিলেন। তিনি অসংখ্য মানুষকে কবি হিসেবে গড়ে তুলেছেন এবং দায়বোধ থেকে সাহিত্য সম্পাদনা ও সাহিত্যচর্চা করে গেছেন। অন্যায়ের সঙ্গে কখনো আপস করেননি বলেই তাকে নানা সময় হামলা-মামলার শিকার হতে হয়েছে।

অনুষ্ঠানে কবি ও লেখক বিধান চন্দ্র রায়, কবি ও লেখক আবদুল হাই, শরীফ খান দীপ, কবি-কন্যা পরমা মুজাহিদীসহ আরও অনেকে স্মৃতিচারণ করেন। বাংলাদেশ কৃষ্টি ও সংস্কৃতি কেন্দ্রের মহাসচিব লুৎফর চৌধুরী বলেন, আল মুজাহিদী একদিনে মারা যাননি; তিনি তিলে তিলে নিঃশেষ হয়েছেন। অথচ জীবনের শেষ সময়ে অনেকেই তাকে দেখতে পর্যন্ত যাননি।

কবি আল মুজাহিদীস্মরণসভা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise