Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সংস্কৃতি

প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধে প্রেরণা জুগিয়েছিল রবীন্দ্রনাথের গান

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৭ মে ২০২৬, ২৩:১১
মুক্তিযুদ্ধে প্রেরণা জুগিয়েছিল রবীন্দ্রনাথের গান

সংগৃহীত ছবি

‘মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান বাঙালি জাতির জন্য বিশেষ প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল’—বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘রবীন্দ্রনাথ তার যুক্তিবোধ ও মঙ্গলচিন্তার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিকতার বাণী বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছেন। বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের নানা ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য—উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আজ বৃহস্পতিবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তার অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং বিদেহী আত্মার শান্তি কামনাও করেন তারেক রহমান।

‘বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণ ছিল রবীন্দ্রনাথের সৃজনশীলতার মূল অন্বেষা। কাব্য, সংগীত, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক, নৃত্যনাট্য ও চিত্রকলায় তিনি মানবতা, প্রেম, শান্তি ও প্রকৃতির জয়গান গেয়েছেন অনন্য শিল্পকুশলতায়। তার সৃষ্টিকর্ম বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ হয়ে রয়েছে’— উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, শাশ্বত বাংলার মানুষের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা ও জীবনসংগ্রাম বিশ্বস্ততার সঙ্গে উঠে এসেছে রবীন্দ্রসাহিত্যে। সাধারণ মানুষের দুঃখ-বেদনার কথক হিসেবে যে রবীন্দ্রনাথকে আমরা পেয়েছি, তা তৎকালীন পূর্ববঙ্গ তথা আজকের বাংলাদেশেরই সৃষ্টি।

‘রবীন্দ্রনাথের অনবদ্য সৃষ্টি আমার সোনার বাংলা আজ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত’— যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসেন এবং তিনিই প্রথম এশীয় হিসেবে বিশ্বসাহিত্যের সর্বোচ্চ এই স্বীকৃতি লাভ করেন।

‘বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ-সংঘাত, উগ্রবাদ ও জাতিতে জাতিতে হানাহানির প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথের মানবতাবাদী দর্শন আজ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মানুষের কল্যাণে শিক্ষার বিভিন্ন স্তর নিয়ে রবীন্দ্রনাথ গভীরভাবে চিন্তা করেছেন। নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় আলোকিত করতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শান্তিনিকেতন। পাশাপাশি পুথিগত শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষাকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

রবীন্দ্র-জন্মবার্ষিকীর এবারের আয়োজন সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে বলে প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর।

প্রধানমন্ত্রীতারেক রহমানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরজন্মবার্ষিকী
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise