সুর, ছন্দ ও কবিতায় শেষ হলো ছায়ানটের রবীন্দ্র উৎসব

গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও পাঠের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ছায়ানটের দুই দিনব্যাপী রবীন্দ্র উৎসব। শুক্রবার ধানমন্ডির ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তনে শুরু হওয়া এ উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠান হয় আজ শনিবার সন্ধ্যায়।
দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান শুরু হয় সন্ধ্যা ৭টায়। সমবেত সংগীত, একক গান, আবৃত্তি, পাঠ ও নৃত্য পরিবেশনায় অংশ নেন ছায়ানটের শিল্পী এবং আমন্ত্রিত শিল্পীরা। শুরুতে পরিবেশিত হয় ‘মোরা সত্যের পরে মন’ এবং নৃত্যগীত ‘দুই হাতে কালের মন্দিরা’।
একক সংগীত পরিবেশন করেন অমী দেব। সিলেটের প্রতীক এন্দা পরিবেশন করেন ‘তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা’। পলি পারভীন আবৃত্তি করেন ‘পাখির ভোজ’ কবিতা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিল্পীরা সম্মেলক গান, নৃত্যগীত ও একক সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে আরও গান পরিবেশন করেন মেজবাহুল আজম মনজু, ইফফাত বিনতে নাজির, দীপ্র নিশান্ত, সুমা রায়, আইরিন পারভীন অন্না, মুস্তাফিজুর রহমান তুর্য, লায়সা আহমদ লিসা, সেমন্তী মঞ্জরী, অভয়া দত্ত, সুতপা সাহা, তানিয়া মান্নান, মহাশ্বেতা চৌধুরী, অভিজিৎ দাস এবং কাঞ্চন মোস্তফা।
লিয়াকত আলী খান পাঠ পরিবেশন করেন। ‘গ্রাম ছাড়া ওই রাঙা মাটির পথ’ গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন ওয়ার্দা রিহাব। জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় উৎসব।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় যন্ত্রসংগীতে ছিলেন মৃ্ত্যুঞ্জয় মজুমদার ও স্বরূপ হোসেন (তবলা), ইউসুফ খান (সরোদ), রবিন্স চৌধুরী (কিবোর্ড), মামুনুর রশীদ (বাঁশি) এবং প্রদীপ কুমার রায় (মন্দিরা)।
উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছায়ানটের সভাপতি সারওয়ার আলী উল্লেখ করেন, ক্ষমতার দম্ভ যে মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করে, তার বিরুদ্ধে কথা বলতে সংস্কৃতির শক্তিকেই এগিয়ে আসতে হয়। তার ভাষ্য, বিশ্ব শান্তির আকুতি এবং সংঘাতহীন পৃথিবীর প্রত্যাশা নিয়েই ছায়ানট এ বছরের রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন করেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার সাহিত্য ও সংগীতে শান্তি, মানবতা এবং বিদ্বেষহীন সমাজের কথা তুলে ধরেছেন।





