রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের ‘বাঁধনহারা বৃষ্টিধারা’ ছায়ানটে

ছবি: আগামীর সময়
জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, ঢাকা মহানগর শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো শ্রাবণের বর্ষার বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘বাঁধনহারা বৃষ্টিধারা’। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ধানমণ্ডির ছায়ানট মিলনায়তনে এ বর্ষা আবাহন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। রবীন্দ্রনাথের রচনার সুর ও ছন্দে সাজানো এ আয়োজন সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য হয়ে ওঠে আনন্দঘন এক সন্ধ্যা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সবাইকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি কৃষ্টি হেফাজ। তিনি বললেন, ‘আমরা দর্শকদের মানসম্পন্ন অনুষ্ঠান উপহার দেওয়ার জন্য সচেষ্ট থাকি, যেন আমাদের সংস্কৃতির যে মান, তা বজায় থাকে। বাঙালির সংস্কৃতি প্রীতি, পরস্পরের সম্মান ও শ্রদ্ধা, ভ্রাতৃত্ব ও শান্তির কথা বলে। আমাদের ষড়ঋতু যেমন বৈচিত্র্যময়, সংস্কৃতিও ঠিক তাই।’
এরপর রবীন্দ্রনাথের ‘শ্রাবণসন্ধ্যা’ থেকে পাঠ করেন কৃষ্টি হেফাজ। তার পাঠে বর্ষার রূপ, রস ও সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। অনুষ্ঠান পরিকল্পনা ও সঙ্গীত পরিচালনায় ছিলেন মহুয়া মঞ্জরী সুনন্দা।
এরপর পরিবেশিত হয় সম্মেলক গান, একক গান, আবৃত্তি ও নৃত্য। ঢাকা মহানগর শাখার সম্মেলক শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন ‘শ্রাবণ মেঘের অন্ধক দুয়ার ওই খোলা’।
দুর্নীতির দায়ে গ্রেপ্তার আশঙ্কার মধ্যেই নেপালে ফিরলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেউবা
১৩ আগস্ট ২০২৬
বর্ষার গম্ভীর ও রুদ্ররূপ তুলে ধরতে নারী ও পুরুষ কণ্ঠের সম্মেলক শিল্পীরা পরিবেশন করেন ‘ও না আঁধার অম্বরে প্রচন্ড ডমরু’। এরপর ‘আজি ঝরঝর মুখর বাদরদিনে’ গানের সঙ্গে গান ও নৃত্যের সমন্বিত পরিবেশনা দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন মাহমুদা আখতার। পরে সম্মেলক শিল্পীদের কণ্ঠে পরিবেশিত হয় ‘আমার নিশীথ রাতের বাদলধারা’।
অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে সম্মেলক কণ্ঠে ‘যায় দিন শ্রাবণ দিন যায়’ গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, ঢাকা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক নীলাঞ্জনা চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন তবলায় সুবীর ঘোষ, কীবোর্ডে রবিন চৌধুরী, সেতারে সিরাজ খান এবং মন্দিরায় প্রদীপ রায়। তাদের সঙ্গতে বর্ষার এ আয়োজন হয়ে ওঠে আরও মনোজ্ঞ।







