Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

হাদির কবরের সামনে মোনাজাতে কাঁদলেন জুমা

agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:৫৯
হাদির কবরের সামনে মোনাজাতে কাঁদলেন জুমা

ফাতিমা তাসনিম জুমা

ইনকিলাব মঞ্চের আয়োজনে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে গত সন্ধ্যায় ছিল ‘রোজার রাইতের মিছিল।’ এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন জাবের ও ফাতিমা তাসনিম জুমা। মিছিল শেষে গত রমজানের স্মৃতি শেয়ার করেন তারা। গত রমজানে শরীফ ওসমান হাদি ছিলেন, আর এ রমজানে নেই- এমনই এফসোস তাদের কণ্ঠে।

এরপর শরীফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা, সেখানে মোনাজাত করেন তারা। মোনাজাতে অংশ নিয়েছিলেন জুমাও। মোনাজাতে প্রার্থনারত অবস্থায় জুমাকে কাঁদতে দেখা যায়।


যে গণভোটটা করলেন এটা তো সংবিধানেই নেই


গত রমজানের স্মৃতি শেয়ার করে জাবের বলেন, গত বছর রমজানে বাড়িতে যাওয়ার সুযোগ হয় নাই। ওসমান ভাইরে কইলাম, রমজানে আম্মা বাড়িতে গেলে ডালের বড়া খাওয়ায়। আপনি যা শুরু করছেন, এইবার মনে হয় খাওয়া হবে না। ভাই বললেন, তকদিরে থাকলে খাবা, ইনশা’আল্লাহ।

জাবের বললেন, একদিন তারাবির নামাজ শেষ করে বললেন, ‘আমার বাসায় যাবা আজ। বেশকিছু কাজ জমে আছে। দুই ভাই মিইল্লা একসাথে করমুনে। রাতে তো এমনিতেই ঘুমাও না। বাসায় গিয়ে দেখি ভাবিরে দিয়া ডালের বড়া বানাইয়া রাখছে। আমার প্লেটে দুইটা দিয়া বললো, খাও, সাহরির জন্যও আছে। এরপরে বেশ কয়েকদিন তার বাসায় সাহরি খাইছি। প্রায় প্রতিবারই ডালের বড়া আর পান্তা ভাত আমার জন্য বরাদ্দ ছিল।’


ইনকিলাব মঞ্চফাতিমা তাসনিম জুমা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise