ডিআরইউতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, অধিকতর তদন্তে পিবিআই

ফাইল ছবি
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে আজ নারাজি শুনানির দিন ধার্য ছিল। এজন্য আসামিরা আদালতে হাজিরা দেন। তাদের উপস্থিতিতে শুনানি শুরু হয়। এ সময় বাদীপক্ষের আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার জানিয়েছেন, আসামি পিস্তল উঁচিয়ে ডিআরইউ সভাপতি আকনকে হত্যাচেষ্টা করেন। অথচ পুলিশ তিনজনকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেছে। পুলিশ তদন্তের ফলাফল বাদীকে জানায়নি। প্রত্যক্ষ সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। এমনকি কোনো আলামতও জব্দ করেনি। পুলিশ যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে, তা অন্তঃসারশূন্য। এ সময় মামলার বাদী সোলাইমান হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ২০২৫ সালের ২১ মে রাতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। পিস্তল, দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে জাকির হোসেন, বিউটি খাতুন, আদর আক্তার, উদয় হাসান, হৃদয়, অন্তরা, ইমু, রানা, কামাল ও রতনসহ অজ্ঞাতনামা প্রায় ৫০ জন এই হামলায় অংশ নেন।
এ সময় ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন, তৎকালীন দপ্তর সম্পাদক রফিক রাফি, সদস্য মশিউর রহমান, মাহবুব হাসান, দেলোয়ার মহিন, মফিজুল সাদিকসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গত ২২ মে বিকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোলাইমান হোসাইন বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৫০ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে শাহবাগ থানা পুলিশ তিন আসামিকে অব্যাহতি ও সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দেয়।





