থানায় জব্দ মালামাল ব্যবস্থাপনায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
দেশের বিভিন্ন থানা ও এর আশপাশে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে থাকা জব্দকৃত গাড়ি, মোটরসাইকেল, রিকশাসহ সব যানবাহনের মালখানা ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছেন হাইকোর্ট।
কমিটির প্রধান করা হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- আইজিপি মনোনীত একজন পুলিশ সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্টার মনোনীত নিম্ন আদালতের একজন বিচারক, বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোনীত একজন প্রতিনিধি, তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় মনোনীত একজন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, অ্যাটর্নি জেনারেলের মনোনীত দু’জন কর্মকর্তা, বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও তার মনোনীত একজন প্রতিনিধি, ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর, বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড মনোনীত একজন প্রতিনিধি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মনোনীত একজন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মনোনীত একজন প্রতিনিধি ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মনোনীত শুল্ক অধিদপ্তরের একজন প্রতিনিধি।
আগামী ২ মাসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে আজ বুধবার এই আদেশ দেন বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সাইয়েদ মোহাম্মদ তাজরুল হোসাইনের ডিভিশন বেঞ্চ।
রিট আবেদনকারীর আইনজীবী শিশির মনির বলেছেন, বাংলাদেশে অনেক জব্দকৃত মালামাল অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দেশের থানাগুলোতে এসব ডাম্পিং আকারে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা একটা রিট পিটিশন দায়ের করেছিলাম। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সরকারের কাছে প্রতিবেদন চেয়েছিলেন। সরকার প্রতিবেদন দাখিল করেছে। সরকারের প্রতিনিধিরা একমত পোষণ করেছেন যে এই মালামালগুলো ভালোভাবে নিষ্পত্তি করা দরকার। তারা একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি করে দেওয়ার প্রস্তাব করেন আদালতে। সে অনুযায়ী আদালত একটি ১২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করে দিয়েছেন।




