Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় আদালত

রমনা বটমূলে বোমা হামলা

২৫ বছরেও শেষ হয়নি বিস্ফোরক মামলার বিচার

নিজস্ব প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৬
২৫ বছরেও শেষ হয়নি বিস্ফোরক মামলার বিচার

ফাইল ছবি

২৫ বছর আগে রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে হয় বোমা হামলা। এতে নিহত হন ১০ জন, আহত হয় অনেকে। এ ঘটনায় করা দুটি মামলার মধ্যে শেষ হয়েছে বিচারিক আদালতে করা হত্যা মামলার বিচার। পরবর্তীতে হাইকোর্টেও হয়েছে হত্যা মামলার রায়। তবে চার বছর আগে বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলেও পরে এগোয়নি বিচার। একেক পর এক তারিখ পরিবর্তন হলেও আদালতে হাজির করা হয় না আসামিদের। এতে আত্মপক্ষ সমর্থনের পর্যায়ে আটকে রয়েছে মামলাটির বিচার কাজ। 

বর্তমানে মামলাটি ঢাকা মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১৫ তে বিচারাধীন। সবশেষ গত ৩১ মার্চ এ মামলায় আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে আসামিরা দেশের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার থাকায় তাদের হাজির করা হয়নি আদালতে। এজন্য আদালত এ মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন ধার্য করেছেন আগামী ৯ জুলাই। 

আদালত সূত্র জানায়, এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয় ২০২২ সালের ২১ মার্চ। মামলাটিতে মোট ৮৪ সাক্ষীর মধ্যে ৫৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। ওই বছরের ৩ এপ্রিল আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন সাত আসামি। অপর আসামিরা পলাতক থাকায় পাননি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ। ওইদিন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেন ১১ আগস্ট। পরবর্তীতে কোন কার্যক্রম ছাড়াই ২০২২ সালের ২৮ জুলাই ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর আদালত মামলাটি ফেরত পাঠান আগের আদালতে। 

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ ১৪০৮ বঙ্গাব্দ) ভোরে রমনার বটমূলে সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানস্থলে দুটি বোমা পুঁতে রাখা হয় এবং পরে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে সেগুলোতে ঘটানো হয় বিস্ফোরণ। ওইদিন বর্ষবরণের অনুষ্ঠান চলাকালে সকাল ৮টা ৫ মিনিটে একটি ও অন্য বোমাটি বিস্ফোরিত হয় ১০টা ১৫ মিনিটের পর। নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) নৃশংস ওই বোমা হামলায় প্রাণ হারান ১০ জন। আহত হন আরও অনেকেই। এ ঘটনায় হুজি নেতা মুফতি হান্নানসহ ১৪ জনকে আসামি করে ওইদিনই রমনা থানার পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দায়ের করে আলাদা দুটি মামলা।

২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর শীর্ষ হুজি নেতা মুফতি আবদুল হান্নানসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে সিআইডির পরিদর্শক আবু হেনা মো. ইউসুফ আদালতে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে আলাদা দুটি সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ২৩ জুন ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রুহুল আমিন ঘোষণা করেন হত্যা মামলার রায়। রায়ে ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ৮ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন বিচারক। বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় ২০১৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন মামলার অন্যতম আসামি মুফতি হান্নানসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী হত্যা মামলায় ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল রাতে মুফতি হান্নানের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। পরবর্তীতে বিস্ফোরক আইনের এ মামলা থেকে অব্যাহতি পান হরকাতুল জিহাদের এ শীর্ষ নেতা।

বর্তমানে এ মামলায় মোট ১১ জন আসামি রয়েছে। তারা হলেন-  মাওলানা তাজউদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মুফতি আব্দুল হাই, মুফতি শফিকুর রহমান, মাওলানা আবু বকর, হাফেজ সেলিম হাওলাদার, আরিফ হাসান সুমন, মাওলানা আকবর হোসাইন, মাওলানা শাহাদাৎ উল্লাহ জুয়েল, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা সাব্বির ও মাওলানা শওকত ওসমান। এদের মধ্যে তাজউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর পলাতক এবং আবু বকর ও আবু তাহের রয়েছেন জামিনে। অন্যরা আটক রয়েছেন কারাগারে। 

এদিকে, গত বছরের ১৩ মে হত্যা মামলায় বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় ঘোষণা দেন। রায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. তাজউদ্দিনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। আর বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত শাহাদাতউল্লাহ জুয়েলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। তবে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আকবর হোসেন, আরিফ হাসান, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, আবদুল হাই, শফিকুর রহমান এবং বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাব্বির, শেখ ফরিদ ও আবু তাহেরের সাজা কমিয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মুফতি হান্নান (সিলেটে গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর) এবং বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আবদুর রউফ ও ইয়াহিয়া মারা যাওয়ায় তাদেরকে বিচারিক কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়া হয়।

আকবর ও আবু তাহেরের আইনজীবী জসিম উদ্দিনের দাবি, এই মামলায় কিছুই নেই। একজনের জোরপূর্বক জবানবন্দির নিয়ে মামলাটি সাজায় আওয়ামী লীগ সরকার। এই দুজন কোনভাবেই জড়িত না, তারা সম্পূর্ণভাবে নির্দোষ। সঠিকভাবে বিচার হলে তারা খালাস পাবেন এটায় প্রত্যাশা করছি।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকীর ভাষ্য, ফ্যাসিস্ট সরকার আমলে এই মামলাটি শেষ করতে নেওয়া হয়নি তেমন কোনো পদক্ষেপ। আশা করছি, আগামী বৈশাখের আগেই পাওয়া যাবে একটা রেজাল্ট। এই মামলার অনেক প্রয়োজনীয় সাক্ষীকে বিভিন্ন কারণে পাওয়া যাচ্ছিল না। উচ্চ আদালতে ছিল স্থগিতাদেশ। সেজন্য সময় লেগেছে অনেকটা। আমরা আশাবাদী আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হবে।

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise