হত্যা মামলায় সাবেক কাউন্সিলর হাবিব কারাগারে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর খাজা হাবিবুল্লাহ হাবিবকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রাজধানীর মৌচাক এলাকায় ছুরিকাঘাতে স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্টৈট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।
এদিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তদন্তকারী কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার পরিদর্শক আতিকুল আলম খন্দকার তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে হাবিবের আইনজীবী ইলতুৎমিশ সওদাগর এ্যানী জামিন চেয়ে শুনানি করেছিলেন।
গত ৭ আগস্ট হাবিবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরে তাকে রমনা মডেল থানায় নেওয়া হয়। দুপুর দেড়টার দিকে থানায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ওই সময় তাকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়।
গত ৮ জুন রাত ৮টার দিকে সালিশের কথা বলে মৌচাকের আনারকলি মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় ডেকে নিয়ে তাকে ছুরি মেরে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় তার স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন পরদিন রমনা মডেল থানায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতপরিচয় আরো ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, বিল্লাল খাবার হোটেলের ব্যবসা করতেন। তার ভাগ্নে মোবারক হোসেন আকাশ মৌচাকের আনারকলি মার্কেটে ব্যবসা করেন। আসামি দিদারুল ইসলাম বাবু আনারকলি মার্কেটের ফুটপাত ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ বিল ও ময়লা পরিষ্কারের বিলের নাম করে চাঁদা তুলত।
এ নিয়ে দিদারুলের সঙ্গে বিল্লালের ভাগ্নি আকাশের বিরোধ চলছিল। ৮ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আকাশের বিষয়ে দিদারুল কথা বলবে জানিয়ে বিল্লালকে আনারকলি মার্কেটের পেছনে ডেকে নেয়। দিদারুলসহ অন্য আসামিরা রাত পৌনে ৮টার দিকে বিল্লালের ওপর হামলা চালায় ও মারধর করে। এক পর্যায়ে দিদারুলের নির্দেশে রিয়াজুল ছুরি দিয়ে বিল্লালের বুকে আঘাত করে। আকাশকেও মারধর করে আহত করা হয়। আকাশের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়।
এরপর বিল্লালকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাত পৌনে ১০টার দিকে মারা যান বিল্লাল।





