Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

গরম বাড়ার আগেই আরও দাম বাড়তে পারে চার্জার ফ্যানের

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:৫৫
গরম বাড়ার আগেই আরও দাম বাড়তে পারে চার্জার ফ্যানের

ছবি: আগামীর সময়

তীব্র গরমে একটু স্বস্তির খোঁজে সাধারণ মানুষ ছুটছেন ইলেকট্রনিকস মার্কেটে। তবে বায়তুল মোকাররম ও স্টেডিয়াম মার্কেটে এসে ক্রেতাদের কপালে দেখা দিচ্ছে চিন্তার ভাঁজ। ইলেকট্রনিকস মার্কেটে চার্জার ফ্যানগুলোর চড়া দাম। ক্রেতাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতিটি চার্জার ফ্যানের দাম বেড়েছে গড়ে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।

ফ্যান কিনতে আসা শাহীন বলছেন, ‘যে জিনিসের দাম পাঁচ হাজার টাকা, সেই জিনিস আমাদের এখন সাড়ে সাত হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে।’ অন্য আরেকজন বলছেন, ‘যেটা আমি অনলাইনে দেখছি ৯ হাজার ৭০০ টাকা, ওইটা চাইতাছে ১৩ হাজার ২০০ টাকা।’

ইমন হোসেন কয়েকদিন আগে যে ফ্যানটি দেখেছিলেন ৯ হাজার টাকায়, এখন তার দাম ধরা হচ্ছে ১৩ হাজার টাকা। ফ্যান কিনতে আসা ক্রেতা বলছিলেন, ‘চারটা ফ্যান নিতে আসছি, আমাদের কাছে দাম চাইছে ৮ হাজার ৫০০ টাকা, আমরা ৭ হাজার ৫০০ টাকা বলেছি, তাও দিতে চাচ্ছেন না। দামটা তো অনেক বেশি। যে জিনিসের দাম ৫ হাজার টাকা, সেই জিনিস আমাদের এখন ৭ হাজার ৫০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে, তাও পাচ্ছি না। ওরা বলতেছে যে, যতবার ঘুরে আসব দাম তত বাড়ানো হবে— এভাবে তারা থ্রেট দিয়ে কথা বলতেছে।’

আরও পড়ুন

তীব্র তাপপ্রবাহ রাজশাহীতে, মৃদু ও মাঝারি ২৬ জেলায়

২৩ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকার বাইরে থেকে বায়তুল মোকাররম মার্কেটে ফ্যান কিনতে আসা আমিনুল বলছেন, ‘চার মাসের বাচ্চার জন্য একটি চার্জার ফ্যান নিতে আসছি। আমরা মধ্যবিত্ত মানুষ, তারপরও চেষ্টা করছি যাতে ভালোর মধ্যে একটা নিতে পারি।’

তবে বিক্রেতারা বলছেন অন্য কথা। তাদের দাবি, ডলারের দাম বৃদ্ধি আর আমদানি খরচ আকাশচুম্বী হওয়ায় বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। ফলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। একই সঙ্গে চীনের মুদ্রা ইউয়ানের দর বেড়ে যাওয়ায় বাজারে সেটির প্রভাব পড়ছে বলেও জানান তারা। তার ভাষ্য, ‘বেচা-বিক্রি এখন খুবই কম। মানুষের হাতে টাকা-পয়সা নেই। অর্থবিত্ত সংকট, বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হইতেছে। মানুষে এখন বড় ফ্যান না কিনা (কিনে) অল্পের মধ্যে ছোট ছোট চার্জার ফ্যান কিনতে চেষ্টা করে— এই হলো বিষয়। আবার মনে করেন যে, সবদিক দিয়েই তো সমস্যা মানুষের চলতাছে।’

‘গত বছর এই সময় মোটামুটি ভালোই বেচছি। হ্যাঁ, এই বছর ওরকম বেচাকিনি নাই। ব্যবসা-বাণিজ্য খুবই সংকটের মধ্যে আছে। এই বছর দাম বেশি হওয়ার কারণ চায়নাতে আরএমবি রেট বাইড়া গেছে। তো ওই হিসাবে তো অনেক খরচ। দাম বাড়ার আরও সম্ভাবনা আছে।’ যোগ করেন ওই বিক্রেতা।

এদিকে, সময় যত গড়াবে আর গরম যত বাড়বে, চার্জার ফ্যানের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বায়তুল মোকাররমের এক ব্যবসায়ী বলছেন, ‘গত বছর যে দামে বিক্রি করছি ,ওই দামের থেকে দাম বেশি। বিক্রি হয় না এক টাকাও, দাম বাড়িয়ে দেয় ১০ টাকা। আমরা মাল আনি ইম্পোর্টারের কাছ থেকে। গরম তো এখনো পড়ে নাই। আরেকটু লোডশেডিং পড়লে তো মনে করেন আরও বাড়বে। চার্জারও বিক্রি হইতাছে, অন্যান্য সিলিং ফ্যানও বিক্রি হইতেছে, স্ট্যান্ড ফ্যান, টেবিল ফ্যান বিক্রি হইতাছে।’

‘আরও গরম পড়লে স্ট্যান্ড ফ্যানটা বেশি বিক্রি হবে। অনেক সময় সিলিং ফ্যানে গরম কমে না, তখন এটা নেয়। দাম বেশির কারণ জিজ্ঞেস করলে এই যে একটাই উদাহরণ দেয়— যুদ্ধ লাগছে; কিন্তু মালগুলো ইম্পোর্টের হলেও আমাগো কিছুই হয় নাই এখানে।’ যোগ করেন ওই ব্যবসায়ী।


চার্জার ফ্যানফ্যানগরম
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise