Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

ডিপিইর নিয়োগ বাতিল

দুই কূলই হারালেন শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ১৯:২৫
দুই কূলই হারালেন শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস

মোহাম্মদ ওমর ফারুক দেওয়ান। ফাইল ছবি

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) পরিচালক (প্রশাসন) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সদ্য সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোহাম্মদ ওমর ফারুক দেওয়ানকে। তার পদায়ন নিয়ে নানা বিতর্ক ওঠায় প্রেষণ নিয়োগটি বাতিল করেছে সরকার।

আজ মঙ্গলবার তার পদায়নের আদেশটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে। অর্থাৎ ডিপিইতে যোগদান করার আগেই অর্ডার বাতিল হওয়ায় পরিচালক পদের পাশাপাশি মন্ত্রীর এপিএস পদটিও হারালেন তিনি। তার অর্ডার বাতিল হওয়ার নেপথ্যে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ও প্রশাসনিক জটিলতা রয়েছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র।

জানা যায়, ওমর ফারুক দেওয়ান তথ্য ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। তাকে ডিপিইর পরিচালকের (প্রশাসন) মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নের পর থেকেই সমালোচনার ঝড় ওঠে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিষয়টি প্রশাসন ক্যাডারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে এলে প্রধানমন্ত্রীকে জানান তারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরই সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তে বাতিল করা হয় বিতর্কিত নিয়োগটি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালকের পদটি মূলত তৃতীয় গ্রেডের (যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার)। কিন্তু ওমর ফারুক দেওয়ান বর্তমানে চতুর্থ গ্রেডের একজন কর্মকর্তা। একজন চতুর্থ গ্রেডের কর্মকর্তাকে বিধি লঙ্ঘন করে তৃতীয় গ্রেডের পদে পদায়ন করা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও সংশয় তৈরি হয় বিভিন্ন  মহলে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, তিন মাসের মাথায় এপিএস পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ওমর ফারুক দেওয়ানকে। দুর্নীতিসহ নানা অভিযোগে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে নির্দেশনায় এ সিদ্ধান্ত নেন শিক্ষামন্ত্রী।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এহসানুল হক মিলন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকাকালীন ওমর ফারুক ছিলেন তার জনসংযোগ কর্মকর্তা। সেই পরিচিতির সূত্রে মিলন এবার পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর চলতি বছরের মার্চ মাসে নিজের এপিএস হিসেবে বেছে নেন তাকে।

তবে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র তিন মাসের মাথায় ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি বাণিজ্য এবং দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডগুলো থেকে নিয়মিত মাসোহারা বা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। দেশের একটি শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা এসব বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের ওপর তদন্ত চালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠানোর পর গত ১৪ মে তাকে এপিএস পদ থেকে সরিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয় মো. দুলাল মিঞা ভূঞাকে।

শিক্ষামন্ত্রীএপিএস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise