তথ্যমন্ত্রী
‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণাই স্বাধীনতার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল

ছবি: আগামীর সময়
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একটি ব্যর্থ রাজনৈতিক সংগ্রামকে ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণার মাধ্যমে তার মেধা, প্রজ্ঞা ও সাহসিকতায় যুদ্ধে রূপান্তর করেছিলেন। এ ঘোষণাই স্বাধীনতার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। এটি ছিল স্বাধীনতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
আজ বুধবার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সেমিনারের আয়োজন করে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। সেমিনারের শিরোনাম ছিল ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এসব কথা বলেছেন।
তথ্যমন্ত্রীর ভাষ্য, ‘স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় নিয়ে নানা আলোচনা ছিল। তবে পরে মানবেন্দ্র লারমার প্রতিবাদের পর স্পষ্ট হয়, শুধু ভাষাভিত্তিক পরিচয় দিয়ে রাষ্ট্রের সব নাগরিককে একই পরিচয়ের আওতায় আনা সম্ভব নয়। এমন এক বাস্তবতায় ১৯৭১ সালের মেজর জিয়া ১৯৭৫ সালের রাষ্ট্রনায়ক জিয়ায় পরিণত হন। তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রবর্তনের মাধ্যমে জাতীয় সংকটের সমাধানের পথ দেখান।’
‘জিয়াউর রহমান নাগরিকত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর মাধ্যমে ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে সবাই একই রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের আওতায় এসেছে। পাশাপাশি দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার ভিত্তিও আরও শক্তিশালী হয়েছে।’—যোগ করেন তিনি।
জহির উদ্দিন স্বপন জানালেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূল বৈশিষ্ট্যই হলো—সবাইকে নিয়ে এই ভূখণ্ডে শান্তিপূর্ণভাবে একসঙ্গে বসবাস নিশ্চিত করা।
সেমিনারে প্রধান আলোচক ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রইছ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, ইউট্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ড. সাবিনা শরমিন এবং শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া।
সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউট্যাবের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ড. নাছির আহমাদ। স্বাগত বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. ইমরানুল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউট্যাব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ড. মো. নাছির উদ্দিন।





