Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা ৯০০-তে উন্নীতের পরিকল্পনা

বাসস
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১১:১২
ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা ৯০০-তে উন্নীতের পরিকল্পনা

সংগৃহীত ছবি

ফায়ার সার্ভিসকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনীতে রূপান্তর এবং দেশের দুর্গম ও গ্যাপ এরিয়া চিহ্নিত করে ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে ৯ শতাধিকে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে এ পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেছেন, বর্তমানে সারা দেশে ৫৩৮টি ফায়ার স্টেশন চালু রয়েছে। ফায়ার সার্ভিসকে আরও আধুনিক ও দ্রুত সেবাসূলক প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনীতে রূপান্তরের লক্ষ্যে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আরও ২০টি ফায়ার স্টেশন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এরই মধ্যে এসব ফায়ার স্টেশন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের প্রকল্প একনেকে অনুমোদন হয়েছে, বর্তমানে যা একজন প্রকল্প পরিচালকের অধীনে বাস্তবায়নের কাজ চলমান আছে।

ফায়ার সার্ভিসের ডিজি বলেছেন, এর বাইরে মিরপুর ও সদরঘাটে দুটি বহুতল আবাসিক ভবনের নির্মাণের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। সেবা সম্প্রসারণের জন্য ১০০টি ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ অ্যাম্বুল্যান্স সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে। মিরপুর ১০-এ আধুনিক এবং ভূমিকম্প সহনশীল সদরদপ্তর নির্মাণের কাজও চলমান রয়েছে।

তিনি বলেছেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অগ্নিকাণ্ডসহ সব দুর্ঘটনায় প্রথম সাড়াদানকারী প্রতিষ্ঠান। সব দুর্ঘটনায় সাড়া দেওয়ার জন্য প্রাধিকার অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিসে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার কাজে সহায়ক সরঞ্জাম যুক্ত হচ্ছে। এ মুহূর্তে ফায়ার সার্ভিসের বহরে বিশ্বের সর্বাধিক উচ্চতা সম্পন্ন টার্ন টেবল লেডার এবং রিমোট কন্ট্রোল ফায়ারফাইটিং ভেহিক্যাল রয়েছে আমাদের বহরে। ফায়ারফাইটিং ড্রোন যুক্ত করারও পরিকল্পনা করছি আমরা। এ ছাড়া উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য হাইড্রোলিক স্প্রেডার, ভাইব্রেটর, সার্চ ভিশন ক্যামেরা ইত্যাদিও রয়েছে।

জাহেদ কামাল বলেছেন, নিয়ম অনুযায়ী বহুতল ভবনে নিজস্ব স্থায়ী অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকা জরুরি। এরপরও উচ্চ ভবনে আগুন নেভানোর জন্য আমাদের বহরে বিশ্বের সর্বাধিক উচ্চতা সম্পন্ন টার্ন টেবল লেডার (৬৮ মিটার) রয়েছে। সব বিভাগীয় শহরেও বিভিন্ন উচ্চতার টার্নটেবল লেডার ও অন্যান্য গাড়ি রয়েছে।

জরুরি কল গ্রহণ ও ডিসপ্যাচ ব্যবস্থা আধুনিক করা হয়েছে জানিয়ে জাহেদ কামাল বলেন, আমাদের ইমার্জেন্সি রেসপন্স কন্ট্রোল সেন্টার (ইআরসিসি) নামে একটি আধুনিক কন্ট্রোল রুম রয়েছে। এর মাধ্যমে সারা দেশে তথ্য আদান-প্রদান ও মনিটরিং করা হয়। আমরা ফায়ার সার্ভিসের জন্য একটি হটলাইন নম্বর ১০২ চালু করেছি। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল দিয়েও আমাদের সেবা গ্রহণ করা যায়। এসব ব্যবস্থার ফলে সেবা গ্রহীতারা সহজেই আমাদের সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।

ফায়ার ফাইটারদের প্রশিক্ষণে আধুনিক পদ্ধতি যুক্ত হয়েছে উল্লেখ করে ডিজি বলেন, আমরা এরই মধ্যে আমাদের ট্রেনিং কমপ্লেক্সকে মিরপুরের ক্ষুদ্র জায়গা থেকে পূর্বাচলের বৃহত্তর জায়গায় স্থানান্তর করেছি। এ ছাড়া আমরা বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ সুবিধাসহ ফায়ার একাডেমি করার পরিকল্পনা নিয়েছি। এরই মধ্যে গজারিয়ায় জমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ এবং এক্সটার্নাল প্রশিক্ষণ জোরদার করা হয়েছে।

তিনি বলেছেন, বিশেষ করে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ ও বিধ্বস্ত ভবনে উদ্ধার কাজ পরিচালনার প্রশিক্ষণগুলো নিয়মিতভাবে সম্পাদন করা হচ্ছে। নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে ডুবুরীদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পসংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া আমাদের বাহিনী থেকে বিভিন্ন দেশেও নিয়মিত প্রশিক্ষণে প্রেরণ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেছেন, ফায়ার সার্ভিসের সেবা সহজীকরণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে অনলাইনভিত্তিক ই-ফায়ার লাইসেন্স প্রদানের কার্যক্রম গত ১ মে থেকে চালু করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার বাসসকে বলেন, ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী সদস্য সংখ্যা ৩০ হাজারের অধিক করার জন্য ফায়ার সার্ভিসের অর্গানোগ্রাম পুনর্গঠনের প্রস্তাবও বিবেচনাধীন রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক (মিডিয়া সেল) মো. শাহজাহান শিকদার বাসসকে বলেছেন, আধুনিক যন্ত্রপাতি পরিচালনার পাশাপাশি সদস্যদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। নগর অগ্নিনির্বাপণ, রাসায়নিক দুর্ঘটনা, উচ্চ ভবনে উদ্ধার, ভূমিকম্প-পরবর্তী অনুসন্ধান ও উদ্ধার এবং পানিতে উদ্ধার কার্যক্রমে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। দুর্ঘটনা কমাতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত অগ্নিনিরাপত্তা মহড়া, সচেতনতামূলক কর্মসূচি এবং প্রশিক্ষণ পরিচালনা করা হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise