১৫ লাখ টন জ্বালানি তেল কেনার সিদ্ধান্ত
- ব্যয় ১৬ হাজার কোটি টাকা

দেশের জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটাতে সরকার থেকে সরকার (জি-টু-জি) ভিত্তিতে ২০২৬ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের জন্য ১৫ লাখ ২৫ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য মোট ব্যয় হবে ১৬ হাজার ৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা, যা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) নিজস্ব তহবিল থেকে বহন করা হবে।
গতকাল বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, আমদানি করা হবে ৯ লাখ ১৫ হাজার টন গ্যাস অয়েল, ২ লাখ ৮০ হাজার টন জেট এ-ওয়ান, ২ লাখ টন ফার্নেস অয়েল, ১ লাখ টন গ্যাসোলিন-৯৫ এবং ৩০ হাজার টন মেরিন ফুয়েল। এসব জ্বালানি থাইল্যান্ডের ওকিউটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইএনওসি, চীনের পেট্রোচায়না ও ইউনিপেক, ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি এবং ভারতের আইওসিএল থেকে জি-টু-জি চুক্তির আওতায় সংগ্রহ করা হবে।
বিপিসি সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য বিবেচনায় গ্যাস অয়েল, জেট ফুয়েল, গ্যাসোলিন, ফার্নেস অয়েল ও মেরিন ফুয়েলের দর নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে একই ব্যবস্থায় ১২ লাখ ৪০ হাজার টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়েছিল। আগামী ছয় মাসের সম্ভাব্য চাহিদা পূরণে এবার আমদানির পরিমাণ আরও বাড়ানো হয়েছে।
উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) পর্যাপ্ত অর্থের সংস্থান না থাকায় রাজধানীর মেট্রোরেল লাইন-৫ (নর্দান রুট) প্রকল্পের উড়াল অংশ নির্মাণে চীনা প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগকে কাজ দেওয়ার প্রস্তাব সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।






