সমাজকল্যাণমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্স রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত
মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ-মার্ক সেরে-শারলে। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার, নারীর ক্ষমতায়ন, নারী অধিকার রক্ষা, নারী ও শিশুদের টেকসই উন্নয়ন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, ফ্যামিলি কার্ড, এমসিবিপি, মিড-ডে মিল, সন্ত্রাসবাদ নির্মূলসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
এ সময় মন্ত্রী বলেছেন, ফ্রান্স বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা ও সমর্থন দিয়েছে ফ্রান্স।
তিনি জানান, জনগণের কাছে দেওয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নারী অধিকারকে প্রাধান্য দিয়ে নারীদের নামে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যা বর্তমান সরকারের নারী নীতিরই অংশ।
নারী শিক্ষাকে স্নাতক পর্যন্ত সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করায় দেশে নারী শিক্ষার হার বাড়ার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি জানান, কর্মজীবী নারীরা যাতে তাদের সন্তানদের নিরাপদে রেখে কাজে যেতে পারেন, সেজন্য দিবাযত্ন কেন্দ্র সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে কয়েকটি দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিদর্শনও করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন, জেন্ডার সমতা অর্জন এবং দুস্থ শিশুদের সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড এবং প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগগুলো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীল সমাজ গঠনে ফ্রান্স সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের কারিগরি ও উন্নয়ন সহযোগিতার আশ্বাস দেন রাষ্ট্রদূত। সব শেষে আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় ফেমিনিস্ট ফরেন পলিসি (এফএফপি) বিষয়ক সম্মেলনে মন্ত্রীকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান তিনি।




