Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিবিধ

দিন গণনার ভিন্নতা

দিনের শুরু কখন—মধ্যরাত, সূর্যোদয় নাকি সূর্যাস্তে?

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:১৮
দিনের শুরু কখন—মধ্যরাত, সূর্যোদয় নাকি সূর্যাস্তে?

ছবি: এআই

দিন যায়, রাত আসে; রাত যায়, দিন আসে। এভাবেই দিনরাতের আসা-যাওয়ার মধ্য দিয়ে পেরিয়ে যায় সপ্তাহ, মাস, বছর। কিন্তু দিন আসলে কখন শুরু হয়? রাত ১২টার পর, সূর্য ওঠার পর, নাকি সূর্য ডোবার পর? বিষয়টি অনেকের কাছেই কৌতূহলের।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিন ও বছরের হিসাব এক নয়। আমরা যে ক্যালেন্ডার ব্যবহার করি, তার পেছনে আছে ভিন্ন ভিন্ন বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহ্যগত ভিত্তি। কোথাও সূর্যকে ধরে সময় গোনা হয়, কোথাও চাঁদকে। আবার দিন শুরুর সময়ও একেক সংস্কৃতিতে একেক রকম।

আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত ইংরেজি ক্যালেন্ডারে দিন শুরু হয় রাত ১২টা থেকে। আধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক সময় গণনার সুবিধার জন্যই এই পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে। দিনকে ২৪ ঘণ্টায় ভাগ করে মাঝরাতকে সূচনা ধরা হয়েছে, যা প্রশাসন, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর।

অন্যদিকে বাংলা ক্যালেন্ডারের শেকড় রয়েছে প্রকৃতি ও কৃষিনির্ভর জীবনে। ঐতিহ্যগতভাবে বাংলা দিনে সূর্যাস্তকে গুরুত্ব দেওয়া হতো। ফলে সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে নতুন দিন শুরু হয়েছে বলে ধরা হতো। গ্রামীণ সমাজে এই ধারণা দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ছিল। যদিও এখন সরকারি ও আধুনিক ব্যবস্থাপনায় রাত ১২টাই দিন শুরুর সময় হিসেবে ধরা হয়।

বছরের হিসাবেও রয়েছে বড় পার্থক্য। সৌরবর্ষ নির্ভর ক্যালেন্ডার সূর্যের গতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। পৃথিবী সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা সময় নেয়। ইংরেজি ও বাংলা ক্যালেন্ডার এই সৌরবর্ষের উপর নির্ভরশীল। ফলে ঋতুর সঙ্গে এই ক্যালেন্ডারের মিল থাকে। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত নির্দিষ্ট সময়েই আসে।

এর বিপরীতে চন্দ্রবর্ষ নির্ভর ক্যালেন্ডার তৈরি হয়েছে চাঁদের গতির ওপর ভিত্তি করে। চাঁদের এক পূর্ণ পর্যায় থেকে আরেক পূর্ণ পর্যায় পর্যন্ত সময়কে এক মাস ধরা হয়। এভাবে ১২ মাসে মোট সময় দাঁড়ায় প্রায় ৩৫৪ দিন, যা সৌরবর্ষের তুলনায় প্রায় ১০-১১ দিন কম। ইসলামিক ক্যালেন্ডার এই পদ্ধতিতে চলে। তাই রমজান, ঈদ বা অন্যান্য ধর্মীয় উৎসব প্রতি বছর একটু করে এগিয়ে আসে।

এই ভিন্নতার মধ্যেই লুকিয়ে আছে সময় গণনার বৈচিত্র্য ও মানব সভ্যতার ইতিহাস। সূর্য দিন-রাত আর ঋতুর ছন্দ ঠিক রাখে, চাঁদ মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক জীবনে ছাপ ফেলে। এই দুইয়ের সমন্বয়েই গড়ে উঠেছে সময়ের নানা রূপ, যা আজও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ভিন্ন ভিন্নভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সময়চাঁদশুভ নববর্ষ ১৪৩৩সূর্য
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise