হয়তো

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
অসংখ্য তারা আর গ্রহে ভরা মহাকাশ। বিশ্বলোকের আজন্ম কৌতূহল। মহাকাশচারীদের কাছে তো স্বপ্নের ঠিকানা। মহাবিশ্বের এ মহাবিষ্ময় নাকি ক্রমেই হয়ে উঠছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আবর্জনার ভাগাড় (ডাম্পিং গ্রাউন্ড)। খুব দূরে নয়; ২০৩০ সালেই। এমনটাই আন্দাজ করছে যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎবিষয়ক ওয়েবসাইট ফিউচার টাইম। এতে আসছে বছরগুলোর পূর্বাভাস দিয়ে থাকেন সেদেশের ভবিষ্যদ্বিদ উইল ফক্স।
মর্তের মহাকাশ জয় অভিযানে মহাকাশযানের নানা ধ্বংসাবশেষ থেকেই মূলত আবর্জনা বাড়ছে মহাকাশে। শুধু তাই নয়, পৃথিবী থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরের এ মহাশূন্যের শত শত কোটি ডলারের আবর্জনা আবার খুলে দিচ্ছে ব্যবসার নতুন দরজা! নতুন প্রযুক্তি, নতুন বিনিয়োগ এবং অতি দ্রুত লাভের একটি বৈশ্বিক বাজার হতে চলেছে ‘মহাকাশ আবর্জনা পরিষ্কার’-এর প্রতিষ্ঠানগুলোর। মহাকাশে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ‘ধাতব আবর্জনা’। গত সাত দশকের অভিযানগুলো থেকে এরই মধ্যে সেখানে তৈরি হয়েছে বর্জ্যের বিশাল স্তূপ। বর্তমানে মহাকাশে স্যাটেলাইট, রকেট এবং অন্যান্য মহাকাশযানের অবশিষ্ট অংশগুলো থেকে কয়েক মিটারের ধ্বংসস্তূপ আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওয়েবসাইটটিতে। তবে এগুলোর অধিকাংশই ধাতব কণা বা রঙের টুকরোর মতো অতি ক্ষুদ্র কণা। আকারে অত্যন্ত ছোট হওয়া সত্ত্বেও এই ধ্বংসাবশেষগুলো প্রায়ই ঘণ্টায় ৩০ হাজার মাইল গতিতে ছুটে চলে, যা মহাকাশমুখী যেকোনো মহাকাশযানের ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে যেকোনো সময়। চার বছরে মহাকাশে বর্জ্যের পাহাড় বেড়ে বর্তমানের তিন গুণ হবে বলেও পূর্বাভাস এ ওয়েবসাইটের। মজার বিষয় হলো, মহাকাশে যাত্রা এবং দুর্ঘটনার বিষয়টি চিন্তার হলেও আসছে বছরগুলোয় পৃথিবীর প্রায় সব ব্যবসা-বাণিজ্যকে হার মানিয়ে মহাকাশে ধুমিয়ে ব্যবসা বসাবে ভবিষ্যতের মানুষ।




