Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
বেওয়ারিশ লাশের অভিভাবক হাফেজ সেলিম
সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সাহিত্য

জনপ্রিয়তার ঊর্ধ্বে জীবনদর্শন

যে কারণে কোয়েলহোকে মনে রাখতেই হবে

শিমুল সালাহ্‌উদ্দিন
শিমুল সালাহ্‌উদ্দিন
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫১
যে কারণে কোয়েলহোকে মনে রাখতেই হবে

মানুষের চিন্তার জগৎকে বদলে দেওয়া বিরলতম প্রতিনিধিদের একজন পাওলো কোয়েলহো। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে এমন লেখক খুব বেশি নেই, যারা একই সঙ্গে কোটি কোটি পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে থাকেন এবং জীবনবোধের গভীরে প্রবেশ করে মানুষের চিন্তার জগৎকেও বদলে দেন। ব্রাজিলীয়ান লেখক পাওলো কোয়েলহো সেই বিরলতম প্রতিনিধিদের একজন। গত কয়েক দশক ধরে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয়, সবচেয়ে বহুলপঠিত এবং সবচেয়ে প্রভাবশালী লেখকদের তালিকার রয়েছেন ওপরের দিকেই। তবে কেবল জনপ্রিয়তা বা বেস্ট সেলার তালিকায় শীর্ষে থাকাই নয়, বরং তার লেখালেখির অন্তর্নিহিত দর্শন, জীবনবোধ ও আত্মানুসন্ধানের আহ্বানই তাকে কালোত্তীর্ণ করে রেখেছে। পাওলো কোয়েলহোকে মনে রাখতে হবে— কারণ তিনি সাহিত্যকে কেবল গল্প বলার মাধ্যম নয়, বরং জীবন বদলে দেওয়ার এক শক্তিশালী টোটকায় পরিণত করেছেন।

ব্রাজিলীয়ান লেখক পাওলো কোয়েলহোর জন্ম ১৯৪৭ সালের ২৪ আগস্টপাওলো কোয়েলহোর সবচেয়ে বড় অবদান— তিনি সাহিত্যকে করেছেন জীবনদর্শনের বাহক। বিশ্বসাহিত্যে গল্প-উপন্যাসের অভাব নেই, কিন্তু এমন লেখক বিরল যিনি একই সঙ্গে পাঠকের মনোরঞ্জনও করেন আবার আত্মার মুক্তির পথও দেখান। কোয়েলহো বারবার তার লেখায় জোর দিয়েছেন আত্মোপলব্ধি, নিজের স্বপ্নানুসরণ, ব্যক্তিগত কিংবদন্তি হয়ে ওঠা, ভালোবাসা, বিশ্বাস, ধৈর্য ও মহাবিশ্বের সঙ্গে সংযোগের মতো বিষয়গুলোর ওপর। তার লেখা কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম, সংস্কৃতি বা ভূগোলের গণ্ডিতে আবদ্ধ থাকে না; বরং তা সর্বজনীন মানবিক অভিজ্ঞতার কথা বলে। এ কারণেই ব্রাজিল থেকে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ থেকে বতসোয়ানা— পৃথিবীর আনাচে-কানাচে তার পাঠক ছড়িয়ে আছে। এত এত ভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ও সমাজব্যবস্থার মানুষের কাছে একই লেখক এত গভীরভাবে পৌঁছাতে পারেন— এটাই প্রমাণ করে কোয়েলহোর জীবনদর্শন কতটা সার্বজনীন।

দ্য অ্যালকেমিস্টের পর্তুগিজ সংস্করণ‘দ্য অ্যালকেমিস্ট’ উপন্যাসটি তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত এই বইটি আজও বিশ্বজুড়ে সমান জনপ্রিয়। সান্তিয়াগো নামের এক রাখাল বালকের গুপ্তধনের সন্ধানে যাত্রা আসলে প্রতিটি মানুষের নিজের ভেতরের স্বপ্নকে খুঁজে পাওয়ার প্রতীকী উপাখ্যান। এই বইয়ের একটি উক্তি— ‘যখন তুমি মন থেকে কিছু চাও, পুরো বিশ্ব সেই লক্ষ্যপূরণে তোমার সাহায্যে এগিয়ে আসে’— এতটাই জনপ্রিয় যে এটি এখন প্রায় প্রবাদে পরিণত হয়েছে। এই একটি বাক্যই কোয়েলহোর সমগ্র সাহিত্য দর্শনের মূল কথা বলে দেয় : মানুষের আন্তরিক ইচ্ছা ও স্বপ্নই তার জীবনের সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি, আর সেই স্বপ্ন পূরণের পথে গোটা মহাবিশ্ব তার পাশে দাঁড়ায়।

পাওলো কোয়েলহোকে মনে রাখতে হবে, কারণ তিনি সাহিত্যকে কেবল গল্প বলার মাধ্যম হিসেবে দেখেননি, বরং জীবন বদলে দেওয়ার শক্তিশালী অনুঘটকে পরিণত করেছেন।

তবে এই একটি উক্তির পাশাপাশি কোয়েলহোর লেখায় ছড়িয়ে আছে আরও অসংখ্য কালজয়ী বাক্য, যা পাঠকের মনে গভীর দাগ কাটে। ‘দ্য অ্যালকেমিস্ট’-এই তিনি লিখেছেন, ‘প্রতিটি মানুষেরই একটা ব্যক্তিগত কিংবদন্তি আছে। তুমি যা করতে চাও, তা করার জন্য তুমি পৃথিবীতে এসেছ।’ আবার একই বইয়ে সান্তিয়াগোর মুখ দিয়ে তিনি বলিয়েছেন, ‘মানুষ তার স্বপ্নের চেয়ে বড় নয়।’ ‘ম্যানুয়াল অব দ্য ওয়ারিয়র অব লাইট’-এ তিনি বলেছেন, ‘যে হাল ছেড়ে দেয়, সে-ই পরাজিত; জয়ী তো আর বাকি সবাই।’ ‘ম্যানুসক্রিপ্ট ফাউন্ড ইন আক্রা’য় লিখেছেন, ‘ভালোবাসা কী জিনিস, তা কেবল পরাজিতরাই জানে।’ এই উক্তিগুলো কেবল বইয়ের পাতায় আটকে নেই, বরং লাখ লাখ মানুষের জীবনের মন্ত্র হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত ডায়েরি, দেয়ালের পোস্টার থেকে অনুপ্রেরণামূলক বক্তৃতা— সবখানে তার এই বাক্যগুলো উচ্চারিত হয়। এই প্রভাব পৃথিবীর খুব কম লেখকের ভাগ্যেই জোটে।

ম্যানুয়াল অব দ্য ওয়ারিয়র অব লাইটের ইংরেজি সংস্করণ

কোয়েলহোর লেখার আরেকটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো : তার ভাষার সারল্য ও কাব্যিকতা। গভীর দার্শনিক চিন্তাকে তিনি এমন সহজ-সরল ভাষায় প্রকাশ করেন যে তা যে কোনো বয়সের, যে কোনো পটভূমির পাঠকের কাছে পৌঁছে যায়। জটিল তত্ত্ব বা দুর্বোধ্য দর্শনের জট পাকিয়ে নয়, বরং রূপক, উপমা আর গল্পের মাধ্যমে তিনি মানুষের মনের গভীরতম প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেন। এই সহজতা কিন্তু তার দর্শনের গভীরতাকে কমিয়ে দেয় না; বরং আরও শক্তিশালী করে তোলে। যে কথা কোটি কোটি মানুষ বোঝে, সংযোগ স্থাপন করতে পারে, সেই কথাই তো সবচেয়ে বড় বিপ্লব ঘটাতে পারে। কোয়েলহো নিজেই এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমি সহজ ভাষায় লিখি কারণ আমি চাই সবাই বুঝুক। জটিলতা বুদ্ধিমত্তার লক্ষণ নয়, বরং সরলতাই প্রকৃত জ্ঞানের পরিচয়।’ এই দর্শন তাকে বিশ্বের সব শ্রেণির পাঠকের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।

এত ভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ও সমাজব্যবস্থার মানুষের কাছে একই লেখক এত গভীরভাবে পৌঁছাতে পারেন, এটিই প্রমাণ করে কোয়েলহোর জীবনদর্শন কতটা সার্বজনীন।

কোয়েলহোর সাহিত্যের শেকড় আসলে তার নিজের জীবনেই প্রথিত। তার জীবন ছিল এক বিস্ময়কর রূপকথার মতো, কখনো অন্ধকারে নিমজ্জমান, কখনো আলোয় উদ্ভাসিত। ১৯৪৭ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে জন্ম নেওয়া কোয়েলহো কিশোর বয়স থেকেই ছিলেন স্বপ্নবাজ, কবি-কবি স্বভাবের। কিন্তু তার বাবা-মা চেয়েছিলেন ছেলেকে প্রকৌশলী বানাতে। ছেলের সাহিত্যের প্রতি আগ্রহকে তারা মনে করতেন মানসিক রোগের লক্ষণ। মাত্র ১৭ বছর বয়সে বাবা-মা তাকে ভর্তি করে দেন মানসিক হাসপাতালে। একবার নয়, তিনবার তাকে সেখানে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি বৈদ্যুতিক শক থেরাপিও সহ্য করেন। এই নির্মম অভিজ্ঞতার কথা পরে তিনি বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বলেছেন। কিন্তু অদ্ভুতভাবে, এই অন্ধকার সময়ই তার ভেতরে জীবনের গভীর প্রশ্নগুলো জন্ম নেয়। তিনিই পরে লিখেছেন, ‘জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তোমার নিজের গল্পটা লেখা। অন্য কাউকে সেটা লিখতে দিও না।’কিশোর বয়সে কোয়েলহোএই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পরও জীবনকে তিনি উপভোগ করেছেন, পরীক্ষা করেছেন— মাদক নিয়েছেন, সংগীত করেছেন, থিয়েটার করেছেন, সাংবাদিকতা করেছেন এবং ঘুরে বেড়িয়েছেন পৃথিবী। এরপর শুরু হয় তার আধ্যাত্মিক জাগরণ। স্পেনের সান্তিয়াগো দে কম্পোস্তেলার পথে হাঁটার অভিজ্ঞতা তার জীবনকে পুরোপুরি বদলে দেয়। সেই তীর্থযাত্রার অভিজ্ঞতা থেকেই লেখা তার প্রথম বই ‘দ্য পিলগ্রিমেজ’। আর তার পরেই এল সেই বই, যা তাকে পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখকের তকমা এনে দিল, করে তুলল— লেখালেখির ‘দ্য অ্যালকেমিস্ট’। মজার বিষয়, বইটি প্রথম প্রকাশের সময় খুব একটা বিক্রি হয়নি। প্রথম প্রকাশক বইটির স্বত্ব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু কোয়েলহো হাল ছাড়েননি। নিজের স্বপ্নের ওপর অগাধ বিশ্বাস রেখে তিনি অন্য প্রকাশকের দ্বারস্থ হন। বাকিটা ইতিহাস। আজ পর্যন্ত ‘দ্য অ্যালকেমিস্ট’ পৃথিবীর ৮০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বিক্রি হয়েছে ৬৫ মিলিয়নেরও বেশি কপি। এই একটিমাত্র বই-ই তাকে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া পর্তুগিজ ভাষার লেখকের মর্যাদা এনে দিয়েছে, তার নাম উঠেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে।

গভীর দার্শনিক চিন্তাকে তিনি এমন সহজ-সরল ভাষায় প্রকাশ করেন যে তা যেকোনো বয়সের, যেকোনো পটভূমির পাঠকের কাছে পৌঁছে যায়।

কোয়েলহোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বই ‘দ্য ম্যানুয়াল অব দ্য ওয়ারিয়র অব লাইট’। এখানে তিনি জীবনকে যুদ্ধক্ষেত্রের রূপকে ব্যাখ্যা করেছেন, যেখানে প্রতিটি মানুষ একেকজন আলোকিত যোদ্ধা। কীভাবে হতাশা, ক্লান্তি, ভয় আর একাকিত্বের মধ্যেও নিজের পথে অটল থাকা যায়, কীভাবে প্রতিটি পতনকে জয়ে পরিণত করা যায়—এসব শিক্ষাই এ বইয়ের মূল উপজীব্য। বইটিতে তিনি লিখেছেন, ‘একদিন, প্রত্যক্ষ কোনো কারণ ছাড়াই, যোদ্ধা বুঝতে পারে যে লড়াই করার জন্য আগের মতো উদ্যম আর তার নেই। প্রতিটি কাজকে মনে হয় অর্থহীন। সে সময় তার থাকে কেবল একটাই বিকল্প; ভালোভাবে লড়াইটাই চালিয়ে যাওয়া।’ এই বাক্যগুলো তার দর্শনের গভীরতা ও মানবিকতার পরিচয় বহন করে। ‘ব্রাইদা’ উপন্যাসেও তিনি প্রেম, আত্মার সঙ্গী খোঁজা ও নিজের জীবনের মিশন খুঁজে নেওয়ার কথা বলেছেন। ‘ভেরোনিকা ডিসাইডস টু ডাই’ বইয়ে জীবনের প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে তোলার দর্শন নিয়ে আসেন। ‘লাইক দ্য ফ্লোয়িং রিভার’ বইয়ে জীবনকে নদীর মতো বয়ে চলতে শেখান। প্রতিটি বইয়েই তিনি জীবনের একটি নতুন দিক খুলে ধরেন, পাঠককে নিজের ভেতরে তাকাতে শেখান।

তরুণ বয়সে কোয়েলহোকোয়েলহোকে মনে রাখার আরেকটি কারণ হলো, তিনি সাহিত্যকে মানবিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণের মাধ্যম করেছেন। এমন এক সময়ে যখন বিশ্বজুড়ে স্বার্থপরতা, ভোগবাদ, বৈষম্য আর অস্থিরতা মানুষের আত্মাকে গ্রাস করছে, তখন কোয়েলহোর লেখা পাঠককে ফিরিয়ে নিয়ে যায় নিজের ভেতরে, জীবনের মূল্যবোধে, ভালোবাসা ও সহমর্মিতায়। তিনি বারবার দেখিয়েছেন, প্রকৃত শক্তি কোনো বাহ্যিক অর্জনে নয়, বরং অন্তরের শান্তি, আত্মজ্ঞান ও ভালোবাসায়। তার লেখা মানুষকে স্বপ্ন দেখতে শেখায়, স্বপ্নকে গুরুত্ব দিতে শেখায়, আর সেই স্বপ্ন পূরণের পথে হাল না ছাড়ার সাহস জোগায়।

পাওলো কোয়েলহো দেখিয়েছেন, গল্প কেবল বিনোদনের জন্য নয়, গল্প মানুষের জীবনের গতিপথও বদলে দিতে পারে।

তার লেখালেখির আরও একটি বড় গুরুত্বের জায়গা— তিনি পাঠককে নিজের জীবনের অর্থ খুঁজে নিতে উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি কোনো নির্দিষ্ট পথ বাতলে দেন না, কোনো ধর্মীয় বা রাজনৈতিক মতাদর্শ চাপিয়ে দেন না। তিনি কেবল চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন যে প্রতিটি মানুষের ভেতরেই এক ব্যক্তিগত কিংবদন্তি আছে, আর সেই কিংবদন্তি খুঁজে পাওয়াই জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা। এখানেই তার ল্যান্ডমার্ক। ফলে কোয়েলহোর বই পড়ে একজন টিনএজার যেমন নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ খুঁজে পায়, তেমনি একজন মধ্যবয়সি মানুষ নিজের হারিয়ে যাওয়া জীবনের ক্ষত চিনতে পারে। আর এ কারণেই হয়তো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রাসঙ্গিক রয়ে যান কোয়েলহো।

১৯৯৫ সালে জাপানে কোয়েলহোপাওলো কোয়েলহো দেখিয়েছেন, গল্প কেবল বিনোদনের জন্য নয়, গল্প পারে মানুষের জীবনের গতিপথ বদলে দিতে। সান্তিয়াগোর মতো তিনিও নিজের স্বপ্নকে বিশ্বাস করেছিলেন, আর সেই বিশ্বাসের জোরেই পৌঁছে গিয়েছিলেন পৃথিবীর কোটি কোটি পাঠকের হৃদয়ে। শেষ পর্যন্ত পাওলো কোয়েলহোকে মনে রাখতে হবে এই কারণে যে, তিনি আমাদের শিখিয়েছেন— জীবন এক গভীর রহস্যময় যাত্রা, আর সেই যাত্রায় সবচেয়ে বড় পাথেয় হলো সাহস, বিশ্বাস আর ভালোবাসা। তার লেখা পাঠককে কেবল আনন্দ দেয় না, বরং ভেতর থেকে জাগিয়ে তোলে, জীবনকে নতুন করে দেখতে শেখায়, নিজের ভেতরের স্বপ্নের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনে। বিশ্বসাহিত্যে এমন লেখক সত্যিই বিরল, যার প্রতিটি শব্দ মানুষের জীবনের আলো হয়ে জ্বলে। কালের আবর্তে অনেক বই হারিয়ে গেলেও কোয়েলহোর জীবনদর্শন থেকে যাবে, কারণ মানুষ যত দিন স্বপ্ন দেখবে, তত দিন সে ফিরে ফিরে আসবে কোয়েলহোর কাছে।

সাহিত্যপাওলো কোয়েলহো
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    রংপুরে চার খুনের নেপথ্যে মাদকসেবীরা, বলছে পুলিশ

    রংপুরে চার খুনের নেপথ্যে মাদকসেবীরা, বলছে পুলিশ

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৩:৩৭

    রংপুরে রাতে ৪ জনকে হত্যা, পরদিন দুপুরে পলায়ন, মাঝে মাদক সেবন

    রংপুরে রাতে ৪ জনকে হত্যা, পরদিন দুপুরে পলায়ন, মাঝে মাদক সেবন

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৫:১১

    সামিটের এলএনজি সরবরাহ অর্ধেকে, কাটছে না সংকট

    সামিটের এলএনজি সরবরাহ অর্ধেকে, কাটছে না সংকট

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৪:২১

    যুদ্ধকালীন নির্বাচন ইউক্রেনকে সুনামির মতো ছিন্নভিন্ন করবে : জেলেনস্কি

    যুদ্ধকালীন নির্বাচন ইউক্রেনকে সুনামির মতো ছিন্নভিন্ন করবে : জেলেনস্কি

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৫৯

    ডেঙ্গুতে থামল আরও ৫ প্রাণ, বেশি মৃত্যু ঢাকায়

    ডেঙ্গুতে থামল আরও ৫ প্রাণ, বেশি মৃত্যু ঢাকায়

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫৯

    আরও বেশি ধ্বংসাত্মক হামলার হুমকি পুতিনের

    আরও বেশি ধ্বংসাত্মক হামলার হুমকি পুতিনের

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৫:২৬

    দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ গেল চালকের, আহত ৩

    দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ গেল চালকের, আহত ৩

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৩:২১

    আগামী চক্রবর্তীর বিয়ের তারিখও চূড়ান্ত হয়েছিল

    আগামী চক্রবর্তীর বিয়ের তারিখও চূড়ান্ত হয়েছিল

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৯:২৪

    কুড়িগ্রামে গুদাম ভেঙে ২০২ বস্তা সার নিয়ে গেলেন কৃষকরা

    কুড়িগ্রামে গুদাম ভেঙে ২০২ বস্তা সার নিয়ে গেলেন কৃষকরা

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:১৩

    মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চায় না বাংলাদেশ

    মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চায় না বাংলাদেশ

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৩:১২

    গুম-খুনের শিকারদের জন্য হচ্ছে আলাদা অধিদপ্তর

    গুম-খুনের শিকারদের জন্য হচ্ছে আলাদা অধিদপ্তর

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ২০:০৪

    সুন্দরবনে ফের দস্যু আতঙ্ক, ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ

    সুন্দরবনে ফের দস্যু আতঙ্ক, ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৫৭

    দুই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বন্টন, কে দেখবেন কোন বিষয়

    দুই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বন্টন, কে দেখবেন কোন বিষয়

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ২১:৫০

    জামালপুরে দুই শিশুর কান্নায় ফ্ল্যাটে মিলল মায়ের মরদেহ

    জামালপুরে দুই শিশুর কান্নায় ফ্ল্যাটে মিলল মায়ের মরদেহ

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২০

    বাল্যবিয়ের পাঠ আছে, নেই প্রতিরোধের প্রস্তুতি

    বাল্যবিয়ের পাঠ আছে, নেই প্রতিরোধের প্রস্তুতি

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ২১:৩৩

    advertiseadvertise