Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় লাইফস্টাইল

ভাজাপোড়া কম পুষ্টিকর ইফতার

লাইফস্টাইল ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬, ১১:২৪
ভাজাপোড়া কম পুষ্টিকর ইফতার

সংগৃহীত ছবি

ইফতার মানেই তেলে ভাজা খাবারের আধিক্য— এ ধারণা বদলানোর সময় এসেছে। সামান্য পরিকল্পনা ও সঠিক খাদ্য নির্বাচন ইফতারকে করতে পারে সুস্বাদু, পরিপূর্ণ এবং স্বাস্থ্যসম্মত। দিনভর রোজা রাখার পর ইফতারের সময়টুকু কেবল ক্ষুধা মেটানোর নয়, শরীরকে নতুন করে শক্তি জোগানোরও মুহূর্ত। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর শরীর চায় পানি, পুষ্টি ও সহজপাচ্য খাবার। অথচ আমাদের ইফতার টেবিলে সবচেয়ে বেশি জায়গা দখল করে থাকে তেলে ভাজা নানা পদ। এগুলো সাময়িক তৃপ্তি দিলেও অতিরিক্ত ভাজাপোড়া শরীরে তৈরি করে ক্লান্তি, অস্বস্তি, গ্যাস কিংবা হজমের সমস্যা। ফলে রাতভর অবসাদ থেকে যায় এবং পরদিনের রোজাও কঠিন হয়ে ওঠে। ইফতারের আয়োজন তাই শুধু স্বাদের নয়, সুস্থতার দিকটিও বিবেচনায় রাখা জরুরি।

ইফতার শুরু হোক ঠিকঠাক

দীর্ঘ সময় উপবাসের পর হঠাৎ ভারী খাবার শরীরের জন্য চাপ তৈরি করে। ইফতার শুরু করা উচিত পানি, খেজুর অথবা ফল দিয়ে। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে স্বাভাবিক হয় এবং হজমপ্রক্রিয়া প্রস্তুত হয়। লেবু-পানি, ডাবের পানি বা ঘরে তৈরি ফলের শরবত শরীরের পানিশূন্যতা দ্রুত পূরণ করে এবং ক্লান্তি কমায়।

ভাজাপোড়া কমানোর উপায়

একেবারে ভাজা খাবার বাদ দেওয়া অনেকের পক্ষেই কঠিন। তাই প্রথম ধাপ হতে পারে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ। প্রতিদিন কয়েক ধরনের ভাজা খাবার না রেখে একটি পদ রাখাই যথেষ্ট। পরিবারের সদস্যসংখ্যা অনুযায়ী সীমিত পরিমাণে প্রস্তুত করলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতাও কমে। একই খাবার গভীর তেলে ভাজার বদলে চুলায় কম তেলে ভাজা, ওভেনে তৈরি বা হালকা সেঁকে নেওয়ার পদ্ধতি অনুসরণ করা যায়। এতে স্বাদ বজায় থাকে, তেলের ব্যবহার কমে।

যোগ করুন প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার

রোজার পর শরীরের শক্তি ফিরিয়ে আনতে প্রোটিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ছোলা, মুগডাল, ডিম, মাছ বা মুরগি হালকা রান্না ইফতারে রাখা যেতে পারে। ছোলা, সালাদ, ডালভিত্তিক পদ বা সেদ্ধ ডিম দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং অতিরিক্ত ভাজা খাবারের চাহিদা কমায়।

সবজি ও ফলের গুরুত্ব

ইফতার টেবিলে রঙিন ফল ও সবজি থাকা জরুরি। শসা, গাজর, টমেটো, লেটুস বা মৌসুমি ফল দিয়ে সালাদ তৈরি করলে শরীর প্রয়োজনীয় আঁশ ও ভিটামিন পায়। এগুলো হজম সহজ করে এবং শরীরকে হালকা রাখে। ফল সরাসরি খাওয়াই ভালো; অতিরিক্ত চিনি মিশিয়ে পানীয় তৈরি করলে পুষ্টিগুণ কমে যায়।

বেছে নিন ঘরে তৈরি পানীয়

বাজারের কৃত্রিম পানীয় বা অতিরিক্ত মিষ্টি শরবত শরীরে দ্রুত অবসাদ তৈরি করে। এর বদলে বাসায় তৈরি লেবুর শরবত, তোকমা বীজের পানীয়, দইয়ের ঘোল বা ফল মিশ্রিত পানি শরীরকে সতেজ রাখে এবং পানির ঘাটতি পূরণ করে।

ধীরে ধীরে খাবার খান

অনেকের মধ্যেই ইফতারের সময় দ্রুত খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এতে হজমে সমস্যা হয়। প্রথমে হালকা খাবার গ্রহণ করে কিছু সময় বিরতি দিয়ে মূল খাবার খেলে শরীর সহজে মানিয়ে নিতে পারে। এতে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতাও কমে।

তেলের ব্যবহারে সচেতন হোন

একই তেল বারবার ব্যবহার করা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়। রান্নায় পরিমিত তেল ব্যবহার এবং প্রতিবার নতুন তেল নেওয়া ভালো অভ্যাস। অতিরিক্ত মসলা ও তেল খাবারকে ভারী করে তোলে এবং হজম ধীর করে দেয়।

আলসেমি এড়াতে খান হালকা খাবার

অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার খেলে ইফতারের পর ঘুমঘুম ভাব তৈরি হয়। এর বদলে হালকা ও সুষম খাবার শরীরকে সক্রিয় রাখে, নামাজ বা দৈনন্দিন কাজে স্বস্তি দেয়। সুস্থ শরীরেই রোজার প্রকৃত স্বস্তি অনুভব করা সম্ভব— তাই ইফতার হোক ভারসাম্যপূর্ণ ও সচেতন।

পরিবারিক খাদ্যসংস্কৃতি

ইফতার খাবারের আয়োজন তো বটেই, এটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস তৈরিরও সুযোগ। পরিবারের সবাই মিলে পুষ্টিকর খাবার বেছে নিলে ধীরে ধীরে ভাজাপোড়ার ওপর নির্ভরতা কমে যাবে। শিশুদের মধ্যেও গড়ে উঠবে সচেতন খাদ্যাভ্যাস, যা দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ জীবনযাপনে সহায়ক হবে।

ভাজাপোড়ারোজাইফতার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise