হরর ছবি
দি অটোপসি অব জেন ডো
কিছু চলচ্চিত্র শুরুও হয় অস্বস্তি দিয়ে আর শেষটাও হয় অস্বস্তিকর। ‘আন্দ্রে উভ্রেদাল’ পরিচালিত ‘দি অটোপসি অব জেন ডো’ তেমনই একটি চলচ্চিত্র। সাধারণত আমেরিকা, কানাডা কিংবা যুক্তরাজ্যে কোনো পুরুষ বা নারীর লাশের কোনো পরিচয় না মিললে লিগ্যাল ডকুমেন্টে সেই মৃত ব্যক্তির নাম জন ডো/জেন ডো লেখা হয়।
ভার্জিনিয়ার গ্রান্থাম অঞ্চলের একটি বাড়িতে ঘটে ভয়াবহ এক দুর্ঘটনা। কিন্তু কীভাবে তা ঘটল কেউ জানে না। পুরো বাড়িতে পাওয়া গেল বেশ কয়েকটা মরদেহ, প্রতিটিই ক্ষতবিক্ষত। কিন্তু বেজমেন্টে পাওয়া তরুণীর মরদেহটি একদমই আলাদা, দেহে কোনো ক্ষতচিহ্ন নেই! অন্য সবার পরিচয় পাওয়া গেলেও সেই মরদেহটির কোনো পরিচয় পেল না শেরিফ আর তার লোকজন। বাধ্য হয়ে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হলো শব পরীক্ষক টমি আর তার ছেলে অস্টিনের কাছে।
বাবা আর ছেলে মিলে শুরু করল কাজ। লাশটি খুবই অদ্ভুত! শরীর দেখে মনে হয় সে বেশিক্ষণ আগে মারা যায়নি, আবার চোখ দেখে মনে হয় অনেকদিন আগেই মারা গেছে! একটা সময়ে বোঝা গেল, মেয়েটার ফুসফুস পুরোটাই পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, দেহের ভেতরের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গে রয়েছে ক্ষত। কিন্তু তাহলে বাইরে কোনো ক্ষতচিহ্ন নেই কেন? মনে হচ্ছে যেন কেউ মেয়েটার শরীরের ভেতর থেকে ওর ক্ষতি করেছে!
এর মধ্যেই ল্যাবে ঘটতে লাগল অদ্ভুত সব ঘটনা। হুট করেই রেডিও স্টেশন পরিবর্তন হতে লাগল, বেজে উঠল এক অদ্ভুত গান! এর মধ্যেই সেখানে এসে হাজির অস্টিনের প্রেমিকা!
কী লেখা আছে ওদের ভাগ্যে? জানতে হলে সিনেমাটি পুরো দেখতে হবে।
২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটি বেশ সাড়া ফেলেছিল। এতে সবচেয়ে বেশি রয়েছে গা ছমছমে আবহ, যা দর্শকের ভালো লাগতে বাধ্য।


