ঘনিষ্ঠ বন্ধুর শপথে কী সাজে এসেছিলেন তৃষা

সি-ফোম নীল আর টারকুইজ রঙের কাঞ্জিভরম শাড়ি পরে উজ্জ্বল ও মনোমুগ্ধকর দেখাচ্ছিলো তৃষাকে।
ভারতের চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু ইনডোর স্টেডিয়ামে রচিত হয়েছে ইতিহাস। তামিলনাড়ুর প্রিয় নায়ক থালাপতি বিজয় রুপালি পর্দা থেকে রাজকীয়ভাবে পা রেখেছেন বিধানসভার মসনদে।
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তার এই শপথ গ্রহণ পুরো রাজ্যে দীর্ঘ ৬০ বছরের দ্রাবিড় রাজনীতির একচেটিয়া আধিপত্য ভেঙে করে দিয়েছে চুরমার। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি কেবল রাজনীতির ময়দানই নয়, বরং তারকাদের মেলায় এক বিশাল ফ্যাশন উৎসবেও পরিণত হয়েছে আজ।
অনুষ্ঠানের সবচাইতে আকর্ষণীয় অতিথি হিসেবে বিজয়ের দীর্ঘদিনের সহ-অভিনেত্রী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু তৃষা কৃষ্ণান সবার নজর কেড়েছেন তার অপূর্ব সাজে। সমুদ্রের নীল আর টারকুইজ রঙের মিশেলে একটি নিখুঁত কাঞ্জিভরাম শাড়িতে তৃষাকে দেখাচ্ছিল ঠিক যেন কোনো এক রাজকন্যা।
শাড়ির জমিনে থাকা সূক্ষ্ম সোনালি পাড় আর সুন্দর কারুকাজ তার আভিজাত্যকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই শাড়ির সাথে তিনি পরেছিলেন সোনালি-বেইজ রঙের একটি ব্রোকেড ব্লাউজ, যাতে ফুটে উঠেছিল বাহারি ফুলের নকশা।
তৃষার গয়নার সাজ ছিল আরও চোখে পড়ার মতো কারণ তিনি গলায় জড়িয়েছিলেন হীরা আর চুনির মিশেলে তৈরি একটি চমৎকার দামি চোকার। কানের দুলজোড়া ছিল একদম মানানসই আর তার চুলের নিচু খোঁপাটি সাজানো ছিল একগুচ্ছ তাজা বেলী ফুলের গাজরা দিয়ে।
দক্ষিণ ভারতীয় ঐতিহ্যের এই সাজে তৃষার স্নিগ্ধ হাসি সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে এবং ভক্তরা তাদের প্রিয় ‘গিলি’ জুটির এই নতুন শুরুকে সাদরে গ্রহণ করেছেন।
বিজয় শপথ নেওয়ার সময় পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে যে উন্মাদনা ছিল, তা ভাষায় প্রকাশ করা দায়। হাজার হাজার ভক্তের চিৎকার আর মুহুর্মুহু করতালির মধ্য দিয়ে তিনি যখন দায়িত্ব বুঝে নিচ্ছিলেন, তখন পাশের আসনেই বসে তাকে সাহস জোগাচ্ছিলেন রাহুল গান্ধী।
সিনেমা হলের পর্দা থেকে রাজনীতির রাজপথে বিজয়ের এই উত্তরণ এখন কেবল দক্ষিণ ভারত নয়, বরং পুরো ভারতের সংবাদমাধ্যমের মূল আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।






