বিলিয়ন ডলার ক্লাবে ‘মারিও’

সংগৃহীত ছবি
বক্স অফিসে রেকর্ড ভাঙা আর ইতিহাস গড়াটাকে এক প্রকার ডালভাত বানিয়ে ফেলেছে গেমের দুনিয়া থেকে সেলুলয়েডের পর্দায় আসা সবার প্রিয় চরিত্র ‘মারিও’। ২০২৩ সালে প্রথম পার্টের মেগা হিটের পর, এবার হলিউডের অ্যানিমেশন দুনিয়ায় আক্ষরিক অর্থেই সুনামি এনেছে এর সিক্যুয়েল ‘দ্য সুপার মারিও গ্যালাক্সি মুভি’। বিশ্বজুড়ে টিকিট বিক্রির খতিয়ান উল্টেপাল্টে দিয়ে, ২০২৬ সালের প্রথম ছবি হিসেবে ‘১ বিলিয়ন ডলার’ আয়ের এক অবিশ্বাস্য ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেছে এই অ্যানিমেটেড মুভিটি।
নিন্টেন্ডো ও ইলুমিনেশনের এই মাস্টারপিসটি রিলিজের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহগুলোকে যেন টাকার খনিতে পরিণত করেছে। সর্বশেষ উইকএন্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী:
উত্তর আমেরিকা (ইউএসএ): ৪২৮.৫ মিলিয়ন ডলার
আন্তর্জাতিক বাজার: ৫৭১.৫ মিলিয়ন ডলার
সর্বমোট বৈশ্বিক আয়: ১,০০০ মিলিয়ন তথা ১.০০ বিলিয়ন ডলার!
২০২৩ সালের প্রথম পার্ট ‘দ্য সুপার মারিও ব্রোস মুভি’ আয় করেছিল ১.৩ বিলিয়ন ডলার। আর এবার মাত্র দুটি সিনেমা দিয়েই মারিও ফ্র্যাঞ্চাইজিটি মোট ২.৩ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করে হলিউডের অল-টাইম টপ-১০ অ্যানিমেটেড ফ্র্যাঞ্চাইজির তালিকায় ৯ নম্বর আসনটি দখল করে নিয়েছে। এর মাধ্যমে এটি ‘কুংফু পান্ডা’ ও ‘মাদাগাস্কার’-এর মতো দানবীয় সব ফ্র্যাঞ্চাইজির একদম ঘাড়ে এসে নিঃশ্বাস ফেলছে।
ভিডিও গেমপ্রেমীদের কাছে ‘মারিও গ্যালাক্সি’ সিরিজটি এমনিতেই ভীষণ আবেগের। এবার সিনেমার গল্পে দেখা গেছে মারিও, লুইজি, ইয়োশি আর প্রিন্সেস পিচ মিলে আক্ষরিক অর্থেই মহাকাশে পাড়ি জমিয়েছে। উদ্দেশ্য— দুষ্ট বাউজার আর বাউজার জুনিয়রের হাত থেকে প্রিন্সেস রোজালিনাকে উদ্ধার করা। পর্দায় এই দুর্দান্ত অ্যানিমেশনের সাথে হলিউড ক্রেজ ক্রিস প্র্যাট, অ্যানিয়া টেইলর-জয়, গ্লেন পাওয়েল এবং জ্যাক ব্ল্যাকদের চমৎকার ভয়েস-ওভার দর্শকদের হলমুখী করতে চুম্বকের মতো কাজ করেছে।
সিনেমা বোদ্ধাদের মতে, মারিও-র এই বক্স অফিস জয় এক কথা প্রমাণ করে দিল যে— কন্টেন্ট আর নস্টালজিয়া যদি নিখুঁতভাবে মেশানো যায়, তবে থিয়েটারে দর্শকদের জোয়ার নামানো আজকেও সম্ভব!







