‘অর্ধেক ভিডিও দেখিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে’

সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতীয় অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী। একটি লাচ্ছির দোকানে শুটিংয়ের সময় ধারণ করা নেপথ্যের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা প্রচার’ এর অভিযোগ ওঠে। তবে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন সালমান খানের এই নায়িকা।
সম্প্রতি একটি শুটিংয়ে ভাগ্যশ্রীকে ক্যামেরার সামনে লাচ্ছি খেতে দেখা যায়। পরে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি গ্লাসটি নামিয়ে রেখে চলে যাচ্ছেন। ভিডিওর ওই অংশ ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই দাবি করেন, তিনি কেবল প্রচারের জন্য লাচ্ছির প্রশংসা করেছেন।
বিতর্কের জবাবে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে ভাগ্যশ্রী জানান, ভোর ৩টায় মঙ্গলারতিতে অংশ নেওয়ার পর প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কাশীর ঘাটে দীর্ঘক্ষণ হাঁটতে হয়েছিল তাকে। সে সময় ওই লাচ্ছিই তার কাছে স্বস্তি ও শক্তির উৎস ছিল। লাচ্ছির ওপর ছড়িয়ে দেওয়া শুকনো ফলের স্বাদও তাঁর ভালো লেগেছিল।
ভাগ্যশ্রী বলেছেন, মিষ্টি বা নোনতা লাচ্ছি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত মিষ্টি লাচ্ছি উপযুক্ত নাও হতে পারে। তবে দইয়ে থাকা ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও প্রোবায়োটিক এবং চিনি বা গুড় থেকে পাওয়া শক্তি গরমের সময়ে উপকারী হতে পারে।
ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে অভিনেত্রীর প্রশ্ন, যাঁরা তাঁকে ‘মিথ্যা প্রচার’-এর অভিযোগে অভিযুক্ত করছেন, তাঁরা কি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন? কোথাও কি এমন কোনো প্রমাণ রয়েছে, যেখানে তিনি বলেছেন লাচ্ছিটি অতিরিক্ত মিষ্টি ছিল বা তিনি সেটি খাননি? তাঁর দাবি, ভিডিওর একটি অংশ ছড়িয়ে দিয়ে বিভ্রান্তিকর ধারণা তৈরি করা হয়েছে।
একই সঙ্গে স্থানীয় খাবার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান ভাগ্যশ্রী। ভাগ্যশ্রী মনে করেন স্থানীয় বিক্রেতাদের উৎসাহিত করার পেছনে ব্যক্তিগত আর্থিক লাভের বিষয় থাকে না। বরং এতে স্থানীয় ব্যবসারই উপকার হয়। অল্প তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্তিকর প্রচার ও অযথা সমালোচনার প্রবণতারও সমালোচনা করেন তিনি। পবিত্রতার জন্য পরিচিত কাশীকে ঘিরেও এ ধরনের নেতিবাচক আলোচনা দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।





