কেমন দেশ চান তাসরিফ-মাহতিম?

সংগৃহীত ছবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ । এ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের মানুষের মতোই ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে শোবিজ তারকাদেরও। নিজ অবস্থান থেকে নির্বাচনী আবহে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন সবাই।
এবারেই প্রথমবারের মতো জাতীয় কোনো নির্বাচনে ভোট দেবেন সঙ্গীত শিল্পি তাসরিফ খান ও মাহতিম শাকিব । কেমন দেশ চান তারা? প্রার্থীদের কাছেই বা কী প্রত্যাশা?
নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তাসরিফ খান বলেন, সুন্দর একটা ভোট হোক, সেখানে জীবনের প্রথম ভোটটা দিতে চাই। ভোট নিয়ে প্রত্যাশার কথা বলতে গেলে আমার একটি ভয় হয়, ভোট সুষ্ঠু হবে তো? আর হলেও ফলাফল মানবে তো। তবে ভোটের পর যে দলই ক্ষমতায় আসুক, তারা যেন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে। বৈষম্য যেন দূর করে। তারা জনগণকে দেশের মালিক মনে করে একসঙ্গে কাজ করবে, সেটাই প্রত্যাশা।
ন্যায়ভিত্তিক সমাজের প্রত্যাশা করে তিনি বলেন, আশা করব, যারাই ক্ষমতায় আসুক, জনগণের সঙ্গে আর ধোঁকাবাজি করবে না। অতীত থেকে তারা শিক্ষা নেবে। ধর্ম নিয়ে ব্যবসা চাই না। দখলদারত্বের রাজনীতি চাই না। দুঃখের সঙ্গে বলতে চাই, ৫ আগস্টের পর আমাদের বিশ্বাস কেউই অর্জন করতে পারেনি। ৫ আগস্ট আমরা বহু প্রাণের বিনিময়ে নতুন দেশ পেয়েছিলাম। যে ন্যায়ভিত্তিক সমাজের প্রত্যাশা আমাদের ছিল, এবার নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেটা প্রতিষ্ঠা পাবে আশা করছি।
মাহতিম শাকিবও প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি ঢাকার ভোটার। প্রথমত, একটু শান্তি চাই। সবার মধ্যে একটা অশান্তি কাজ করছে। আশপাশের যেদিকেই তাকাই, সবাই অস্থির। এটার অবসান চাই। দ্বিতীয়ত, সবার মধ্যে স্বাধীনতাটা জরুরি। আমি কোনো স্টেজে উঠে গান গাইছি, সেখানে সামনে এসে যাঁরা শুনছেন, তাঁরা স্বেচ্ছায় সেখানে এসেছেন। কিন্তু কখনো কখনো আমরা কনসার্ট বন্ধ হয়ে যেতে দেখেছি।
স্বাধীনভাবে কাজ করার প্রত্যাশা জানিয়ে মাহতিম শাকিব বলেন, স্টেজে বাইরের অনেককে ইন্টারফেয়ার করতে দেখেছি। এখন আমাদের যাঁরা ডাকেন, তাঁরা পয়সা খরচ করে নিয়ে যান। এ জায়গায় স্বাধীনভাবে কাজ করার স্বাধীনতা দরকার। এটা আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া আমার এলাকায় রাস্তা সুপ্রশস্ত। কিন্তু অর্ধেকের বেশি রাস্তা বাস, ট্রাক, রিকশার দখলে। এ ব্যাপারগুলো যেন সহজে সমাধান করা যায়, সেটা চাওয়া।

