Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় শিক্ষা

প্রাথমিক স্কুলে ফিরছে পরীক্ষা ফি

agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১৮:৪৬
প্রাথমিক স্কুলে ফিরছে পরীক্ষা ফি

সংগৃহীত ছবি

২০১০ সালে বাতিল হওয়া পরীক্ষা ফি ফের ফিরিয়ে আনা হচ্ছে প্রাথমিক স্কুলে। পরীক্ষা পরিচালনার ব্যয় মেটাতে শ্রেণিভেদে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারে ফি নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব সাখাওয়াত হোসেন।

আজ শনিবার বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কার্যালয়ে এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। গার্ল গাইডস হলদে পাখি সম্প্রসারণে পাখি ও প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ সম্মেলন হয়।

সচিব সাখাওয়াত হোসেন উল্লেখ করেন, বর্তমানে প্রধান শিক্ষককে স্লিপ বরাদ্দ দেওয়া হয়। তা দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষা আয়োজন করা কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেক সময় শিক্ষকদের পকেট থেকে টাকা খরচ করতে হয়। তাই শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় না করে (শিক্ষার্থীদের থেকে) নির্ধারিত সীমার মধ্যে এ অর্থ নেওয়া যেতে পারে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী ফি’র হার হবে তৃতীয় শ্রেণিতে ৩০ টাকা, চতুর্থ শ্রেণিতে ৪০ টাকা এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ৫০ টাকা।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে সরকারি প্রাথমিক স্কুলগুলোতে পরীক্ষা পরিচালনার জন্য স্থানীয়ভাবে নামমাত্র পরীক্ষা ফি বা কাগজ কাটার পয়সা নেওয়ার প্রচলন ছিল। তবে ২০১০ সালে সরকার প্রাথমিক স্তরে বিনামূল্যে শিক্ষা ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষানীতি জোরদার করার পর থেকে আনুষ্ঠানিক ফি নেওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিদ্যালয় পরিচালনার জন্য সরকার থেকে সরাসরি স্লিপ ফান্ড বা বার্ষিক অনুদান দেওয়া শুরু হয়, যা দিয়ে পরীক্ষার প্রশ্ন ছাপানো ও খাতা দেখার খরচ মেটানো হতো। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাথমিকে শ্রেণিভেদে পরীক্ষা ফি নির্ধারণের এই নতুন নির্দেশনা দিয়েছেন সচিব।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জানান, তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ৩০ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির জন্য ৪০ টাকা ও পঞ্চম শ্রেণির জন্য ৫০ টাকা করে পরীক্ষা ফি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো অন্যায় কাজ নয়, কারণ শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে পরীক্ষা নেওয়া বাস্তবসম্মত নয়। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে স্লিপের বরাদ্দ সীমিত হলেও ভবিষ্যতের জন্য এই বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরে বিদ্যালয়গুলো তুলনামূলক বেশি অর্থ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরীক্ষা ফি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে উল্লেখ করে গণশিক্ষাসচিব বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজন হলে আমি নিজেই ব্যাখ্যা দেব। বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এর চেয়ে বেশি হারে পরীক্ষা ফি নেওয়ার উদাহরণ রয়েছে। শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ না দিয়ে পরীক্ষার মতো কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাস্তবভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

প্রাথমিক স্কুলপরীক্ষা ফিপ্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise