বাহরাইনের বাংলাদেশ স্কুলে এইচএসসিতে নেই জিপিএ-৫, গণমাধ্যমে প্রচার ২৩ জনের খবর
- সরকারি ফলাফল ও স্কুলের তথ্য বিশ্লেষণে পাস ২৮ জনের
- পাঁচ বছরের পরিসংখ্যানে এবারই জিপিএ-৫ শূন্য

বাহরাইনের বাংলাদেশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ
বাহরাইনের বাংলাদেশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ পায়নি। অথচ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির ২৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল এবং স্কুলের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এ অসংগতি। এতে প্রবাসী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি।
এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ছিল। তাদের মধ্যে ২৯ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। উত্তীর্ণ হয়েছে ২৮ জন। সে হিসাবে পাসের হার ৯৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। অনুপস্থিত ছিল একজন। উত্তীর্ণদের মধ্যে ২৩ জন জিপিএ-৪-এর ঘরে এবং পাঁচজন জিপিএ-৩-এর ঘরে ফলাফল করেছে। অর্থাৎ, এ বছর প্রতিষ্ঠানটির কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ অর্জন করেনি।
এ বিষয়ে সোমবার কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল সাহিদা বেগম দৈনিক আগামীর সময়কে বলেন, ‘আমার দেওয়া বক্তব্যে কোথাও ২৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, এমন কিছু বলিনি। লিখিতভাবেও কাউকে এ ধরনের তথ্য দিইনি।’
তিনি জানান, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরটি তার নজরে এসেছে। এরপর কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রকাশিত তথ্য সংশোধনের অনুরোধ জানিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত স্কুল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ বা লিখিত বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
পাঁচ বছরের ফলাফলে এবার জিপিএ-৫ শূন্য
প্রতিষ্ঠানটির গত পাঁচ বছরের এইচএসসি ফলাফল বিশ্লেষণেও দেখা যায়, ২০২৬ সালেই প্রথমবার কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি। এর আগে ২০২২ সালে ছয়জন, ২০২৩ সালে দুজন, ২০২৪ সালে চারজন এবং ২০২৫ সালে চারজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ গ্রেড অর্জন করেছিল।
পাঁচ বছরের হিসাবে এবারই প্রথম জিপিএ-৫ শূন্যের ঘটনা ঘটল। তবে সামগ্রিক পাসের হার ৯৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ হওয়ায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হয়েছে।
সরকারি ফলাফলে কী দেখা গেছে
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বলছে, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৯ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৭ জন ছেলে এবং ১২ জন মেয়ে। উত্তীর্ণ ২৮ জনের মধ্যে ছেলে ১৬ জন এবং মেয়ে ১২ জন। অর্থাৎ, মেয়েদের সবাই পাস করলেও একজন ছেলে শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।




