উচ্চশিক্ষায় নতুন ফর্মুলা
একাডেমিকে ৪০ শতাংশ, কর্মমুখী শিক্ষায় ৬০ শতাংশ গুরুত্ব

সংগৃহীত ছবি
উচ্চশিক্ষাকে আরও যুগোপযোগী, দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী করতে কারিকুলামে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নতুন শিক্ষা কাঠামোতে একাডেমিক শিক্ষার চেয়ে কর্মমুখী ও ব্যবহারিক দক্ষতাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হবে। এই নতুন মডেলে ৪০ শতাংশ একাডেমিক জ্ঞান এবং বাকি ৬০ শতাংশ কর্মমুখী শিক্ষার (৩০% প্র্যাকটিক্যাল, ২০% ইন্টার্নশিপ ও ১০% উদ্যোক্তাবিষয়ক শিক্ষা) সমন্বয় করা হয়েছে।
আজ রবিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ হাজার শিক্ষকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন এসব কথা বলেছেন।
নতুন কাঠামোতে ৪০ শতাংশ হবে তাত্ত্বিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, ৩০ শতাংশ প্র্যাকটিক্যাল ও পেশাগত দক্ষতা বা কর্মক্ষেত্রের বাস্তব উপযোগী হাতে-কলমে শিক্ষা, ২০ শতাংশ ইন্টার্নশিপ ও ফিল্ডওয়ার্ক। এর মাধ্যমে সরাসরি কাজের অভিজ্ঞতা ও প্রকল্পভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি হবে। আর ১০ শতাংশ থাকবে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, সফট স্কিল ও ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টকেন্দ্রিক শিক্ষা।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, আমরা এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং দক্ষ ও কর্মক্ষম মানবসম্পদ তৈরি হবে। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় শিল্পখাত ও একাডেমিয়ার মধ্যে যে বড় ব্যবধান রয়েছে, তা দূর করতেই এই নতুন কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার বর্তমান চিত্র তুলে ধরে জানান, বর্তমানে দেশে ৫৭টি পাবলিক এবং ১১৬টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এই বিশাল খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে ইউজিসিসহ সংশ্লিষ্ট সবাই কাজ করছেন।
আমাদের লক্ষ্য দেশকে একটি আন্তর্জাতিক শিক্ষা কেন্দ্র (ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন হাব) হিসেবে গড়ে তোলা। এজন্য আমরা ক্রস-বর্ডার এডুকেশন (সীমান্তহীন শিক্ষা), বৈশ্বিক গবেষণা সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।




