ডাকসুর উদ্যোগে চীনা প্রতিষ্ঠানে ৪৩০ শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থানের সুযোগ

ডাকসুর উদ্যোগে আয়োজিত জব ফেয়ারে শিক্ষার্থীদের ভিড়। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে আয়োজিত ‘সিনো-বাংলা ডে ২০২৬ : চাইনিজ এন্টারপ্রাইজ জব ফেয়ার’-এ চীনের ৩১টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪৩০টি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বছরব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হুয়াওয়ে টেকনোলজিস লিমিটেডের সঙ্গে স্বাক্ষর করা হয়েছে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)।
সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনব্যাপী চলে এ জব ফেয়ার। আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডাকসুর আন্তর্জাতিক সম্পাদক জসিম উদ্দীন খান (খান জসিম)।
জসিম উদ্দীন খান বলেন, ‘সাম্প্রতিক চীন সফরে শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার ধারাবাহিকতায় তৈরি হয়েছে এই জব ফেয়ার ও প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও চীনা দূতাবাস, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় আয়োজনটি সফল করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই ধারা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে।’
এর আগে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এতে চীনের ঐতিহ্যবাহী লায়ন ড্যান্স, শান-হাই চাইনিজ কোয়ারের ‘সেম সং’ এবং সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর বাংলা গান পরিবেশন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ, ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশের সহসভাপতি রেন ওয়াং, আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর রানা, বাংলাদেশ চাইনিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি ঝু গুয়াংলেই এবং ঢাকায় চীন দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কাউন্সিলর লি শাওপেংসহ অন্যরা।
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘ডাকসুর প্রতিনিধি দলের সাম্প্রতিক চীন সফরের ধারাবাহিকতায় দুই দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যকার সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং একাডেমিক আদান-প্রদান গতিশীল হবে। এ ছাড়া নারী শিক্ষার্থীদের জন্য চীনা অর্থায়নে ১ হাজার ৫০০ আসনের নতুন হল নির্মাণ ভূমিকা রাখবে ঢাবির দীর্ঘদিনের আবাসন সংকট নিরসনে ।’
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট ও সিএমসির যৌথ উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘সিনো-বাংলা ফ্রেন্ডশিপ’ স্কলারশিপ ও বার্সারি অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।
এ ছাড়া কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট ও হুয়াওয়ে টেকনোলজিস লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর মাধ্যমে করা হয় ‘হুয়াওয়ে এআই ট্রেনিং প্রোগ্রাম’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন।
অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের চাইনিজ গভর্নমেন্ট স্কলারশিপ অর্জনকারীদের জন্য ছিল প্রাক-যাত্রা দিকনির্দেশনামূলক ওরিয়েন্টেশনও।







