Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় অর্থনীতি

বন্ধ দুই টেক্সটাইল মিল খুলছে

  • অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে অনুমোদন আজ
মিজান চৌধুরী
মিজান চৌধুরী
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২০
বন্ধ দুই টেক্সটাইল মিল খুলছে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

বছরের পর বছর পড়ে থাকা সরকারি টেক্সটাইল মিলসকে উৎপাদনে ফেরাতে ৩০ বছরের জন্য বেসরকারি অংশীদারের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মাগুরা টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ১৩৬ কোটি টাকার বেশি মূল্যের সরকারি জমি, অন্যদিকে দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলসের দীর্ঘদিনের অব্যবহৃত শিল্পসম্পদ— দুটিকেই উৎপাদনশীল করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এটি করা হবে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে।

আজ বুধবার অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

সূত্রমতে, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রে শেষ পর্যন্ত একক দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হচ্ছে। সে হিসেবে মাগুরা টেক্সটাইল মিলস পরিচালনার চুক্তি হবে চরকা টেক্সটাইল লিমিটেড এবং দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলস চুক্তি হবে ক্লাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস লিমিটেডের (সিএইচপি) সঙ্গে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, একদিকে সরকারের নতুন বিনিয়োগ ছাড়াই বন্ধ শিল্পকারখানা সচল হওয়ার সম্ভাবনা, অন্যদিকে ৩০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে কনসেশন ফি, আপফ্রন্ট প্রিমিয়াম ও সরকারি সম্পদের মূল্য— সব মিলিয়ে ‘ভ্যালু ফর মানি’ কতটা নিশ্চিত হচ্ছে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। অনুমোদন পেলে একদিকে অলস সরকারি সম্পদ উৎপাদনে ফিরবে, অন্যদিকে চুক্তির আর্থিক কাঠামো ঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হলে দীর্ঘমেয়াদে সরকারি সম্পদের কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক মূল্য আদায় না হওয়ার ঝুঁকিও থেকে যাবে। অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের জন্য বস্ত্র ও পাট সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী পৃথক দুটি সারসংক্ষেপ তৈরি করেছেন।

সেখানে তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মাগুরা টেক্সটাইল এবং দারোয়ানী টেক্সটাইল ফের উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতেই পিপিপি পদ্ধতিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে সরকারের ওপর নতুন করে বড় ধরনের বিনিয়োগের চাপ না দিয়ে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে সরকারি সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি অারও বলেছেন, পুরো প্রক্রিয়ায় প্রচলিত আইন, বিধি ও পিপিপি-সংক্রান্ত নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র, কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়ন এবং পরবর্তী দরকষাকষির মাধ্যমে প্রস্তাবটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। মিলটি চালু হলে উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় অর্থনীতি গতিশীল এবং সরকারি সম্পদের অর্থনৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে।

মাগুরা টেক্সটাইল মিলস: উৎপাদনে ফেরাতে ৩০ বছরের জন্য বেসরকারি অংশীদারের হাতে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কিন্তু প্রায় ১৩৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা মূল্যমানের সরকারি জমি রয়েছে। মিলটির মোট সম্পদের মূল্য প্রায় ১৪৪ কোটি টাকা, যার ৯৪ শতাংশের বেশি জমির মূল্য। বিপরীতে চুক্তির শুরুতে সরকার পাবে ৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা আপফ্রন্ট প্রিমিয়াম ও ৫০ লাখ টাকা উন্নয়ন ফি। তিন বছরের গ্রেস পিরিয়ড শেষে বার্ষিক কনসেশন ফি হবে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রথম পর্যায়ে সরকারি সম্পদের তুলনায় সরাসরি নগদপ্রাপ্তি তুলনামূলক কম। তবে অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে শুধু কনসেশন ফি দিয়ে প্রকল্পটির লাভ-ক্ষতি বিচার করলে পুরো চিত্র পাওয়া যাবে না। কারণ পিপিপি মডেলে সরকারের নতুন বিনিয়োগ ছাড়াই বন্ধ মিল চালু হবে; বেসরকারি অংশীদারকে পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও বিনিয়োগের ঝুঁকি নিতে হবে। উৎপাদন, কর্মসংস্থান, রপ্তানি এবং কর-রাজস্ব বাড়লে সরকারের পরোক্ষ অর্থনৈতিক লাভও তৈরি হবে।

তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ‘ভ্যালু ফর মানি’ নিয়ে। আন্তর্জাতিক দরপত্রে চার প্রতিষ্ঠান নথি সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত মাত্র একটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেয়। ফলে প্রতিযোগিতামূলক বাজারদর নির্ধারণের সুযোগ সীমিত হয়েছে। নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে কনসেশন ফি বাড়ানো হলেও স্বাধীনভাবে নির্ধারিত জমির ব্যবহার মূল্য, সম্ভাব্য বেসরকারি বিনিয়োগ এবং প্রকল্পের অর্থনৈতিক রিটার্নের তুলনামূলক হিসাব জনসমক্ষে স্পষ্ট নয়।

দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলস: চার দশকের বেশি সময় বন্ধ থাকা নীলফামারীর দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলসকে ফের উৎপাদনে আনতে ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে ক্লাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস লিমিটেড। ৩০ বছরের জন্য বেসরকারি অংশীদারের হাতে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রস্তাব অনুযায়ী, ৩৭ দশমিক ৬৮ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত মিলটিতে প্রায় ৩ হাজার মানুষের প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান হবে। বেসরকারি অংশীদারকে মাসিক ১২ লাখ ৯১ হাজার ৬৬৭ টাকা কনসেশন ফি দিতে হবে, যা প্রতি ৩ বছর অন্তর ৩ শতাংশ বাড়বে। পাশাপাশি এককালীন ৭৫ লাখ টাকা উন্নয়ন ফি এবং ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার পারফরম্যান্স সিকিউরিটি দেওয়ার বিধান রয়েছে।

মিলটির জমির মূল্যই প্রায় ১০১ কোটি টাকা। তবে জমি বিক্রি না করে দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে। মিলটির জমি ছাড়া মিল ফের চালু, আধুনিকায়ন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে সরকারের নতুন বিনিয়োগ থাকবে না।

টেক্সটাইলঅর্থনৈতিকমন্ত্রিসভাউৎপাদনশিল্পসম্পদ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise