Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় শেয়ারবাজার

ঝুঁকিতে পাওয়ার গ্রিডের ১৭১ কোটি টাকা

agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:১৬
ঝুঁকিতে পাওয়ার  গ্রিডের ১৭১ কোটি টাকা

সংগৃহীত ছবি

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির গ্রাহকের কাছ থেকে পাওনা ১৭১ কোটি টাকা আদায় নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন নিরীক্ষক। কোম্পানিটির ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আর্থিক হিসাবে নিরীক্ষক এই শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

নিরীক্ষক জানিয়েছেন, বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে পাওয়ার গ্রিডের পাওনা রয়েছে ১ হাজার ১১৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এরমধ্যে বিপিডিবির কাছে ৫৩৬ কোটি ১৩ লাখ টাকা, পিবিএসের কাছে ৩১৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা, ডিপিডিসির কাছে ৬৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, ডেসকোর কাছে ৪৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা, ডব্লিউজেডপিডিসিএলের কাছে ২৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, নেসকোর কাছে ৪৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা ও ওপিজিডব্লিউ এর কাছে ১৭ কোটি ৯ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে।

ওইসব গ্রাহকের কাছে পাওনা টাকার মধ্যে ১৭০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আদায় নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে বিপিডিবির কাছে ১৬৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ও পিবিএসের কাছে ৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এসব পাওনার পুরোটা আদায়ের সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করছে নিরীক্ষক।

এই কোম্পানি কর্তৃপক্ষ আর্থিক হিসাবে ২৭ হাজার ৪৩৬ কোটি ৭৬ লাখ স্থায়ী সম্পদ দেখিয়েছে। তবে তারা কখনো ওই সম্পদের বাজার দরে লোকসান হওয়ার বিষয়টি (ইমপেয়ারমেন্ট টেস্ট) যাচাই করেনি, যা আন্তর্জাতিক হিসাব মান (আইএএস)-৩৬ এর লঙ্ঘন বলে জানিয়েছেন নিরীক্ষক।

পাওয়ার গ্রিড কর্তৃপক্ষ আর্থিক হিসাবে ১ হাজার ৪১০ কোটি ২২ লাখ টাকার জমিবাবদ সম্পদ দেখিয়েছে। এরমধ্যে সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকার জমি বেড়েছে। কিন্তু প্রমাণাদির অভাবে জমির মালিকানা যাচাই করতে পারেনি নিরীক্ষক। ফলে আর্থিক হিসাবে উল্লেখ করা অর্থের জমির মালিকানা যে পাওয়ার গ্রিড, তা নিশ্চিত হতে পারেনি নিরীক্ষক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পাওয়ার গ্রিডের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আজাদ আগামীর সময়কে বলেছেন, তিনি এসব বিষয়ে বুঝেন না। তাই কোনো মন্তব্য করবেন না।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া পাওয়ার গ্রিডের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৯১৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা। এরমধ্যে শেয়ারবাজারের বিভিন্ন শ্রেণির (উদ্যোক্তা/পরিচালক ছাড়া) বিনিয়োগকারীদের মালিকানা ২৫ শতাংশ। কোম্পানিটির মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) শেয়ার দর দাঁড়িয়েছে ১৯.৫০ টাকায়।

শেয়ারবাজারশঙ্কাপাওনা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise