শেয়ারবাজারে লেনদেন হাজার কোটির নিচে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার সূচক ও লেনদেনের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে।
এদিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন কমে যাওয়ার পাশাপাশি দর হারিয়েছে সিংহভাগ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। একই ধরনের মন্দা ভাব দেখা গেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)।
ডিএসইর বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, দিনশেষে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৮২২ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৭৪ পয়েন্ট এবং বাছাই করা ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১৪ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১৭৭ পয়েন্টে নেমেছে।
এদিন ডিএসইতে ৩৯২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে বাজারে দর বেড়েছে মাত্র ৭৯টির, বিপরীতে দর হারিয়েছে ২৮৬টি এবং ২৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর অপরিবর্তিত ছিল।
দরপতনের সঙ্গে ডিএসইতে হাতবদল হওয়া মোট টাকার অঙ্কেও বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। বাজারটিতে মোট ৯৬৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ১৮৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা কম। আগের দিন ডিএসইতে ১ হাজার ১৪৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পাশাপাশি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১০৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৬১৮ পয়েন্টে। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২১৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৫২টির, কমেছে ১৩৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৪টির। দিনশেষে সিএসইতে মোট ৩১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়।
সূচকের পতনের মধ্যেও ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। দিন জুড়ে কোম্পানিটির ৪০ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। ২৮ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল করে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড এবং ১৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকার লেনদেন নিয়ে তৃতীয় স্থানে উঠে আসে একমি পেস্টিসাইড লিমিটেড। লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে এমএল ডাইং, সায়হাম টেক্সটাইল, ডমিনেজ স্টিল, ব্র্যাক ব্যাংক, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট ও সিটি ব্যাংক।
এদিকে দর বৃদ্ধির শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে নিটল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। দিন জুড়ে ১ হাজার ৪৩৮ বারে কোম্পানিটির ১৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যেখানে দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ। দর বৃদ্ধির দ্বিতীয় স্থানে থাকা শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের দর বেড়েছে ৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং ৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে থাকা অ্যাপেক্স ফুডসের দর বেড়েছে ৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এ ছাড়া দর বৃদ্ধির সেরা তালিকায় নাম লিখিয়েছে বিডি ল্যাম্পস, অ্যাপেক্স স্পিনিং, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, বেক্সিমকো, সেনা ইন্স্যুরেন্স, জেএমআই সিরিঞ্জ এবং অ্যাপেক্স ট্যানারি।




