একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারদর বেড়েছে ২৪.৬৪ শতাংশ

দেশের শেয়ারবাজারে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেডের শেয়ারের দাম সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিক উত্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে কোনো ধরনের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) ছাড়াই কোম্পানিটির শেয়ারদর টানা বাড়ছে। গত সাত কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ২৪ দশমিক ৬৪ শতাংশের বেশি। এভাবে দাম বাড়তে থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। এতে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের ঝুঁকির আশঙ্কা।
তবে এই দরবৃদ্ধির পেছনে কোনো অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।
শেয়ারের দাম ও লেনদেনের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ৪ আগস্ট চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কোম্পানিটির কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে একটি চিঠি পাঠায়। এর জবাবে কোম্পানিটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে বর্তমানে তাদের কাছে এমন কোনো অপ্রকাশিত তথ্য নেই, যা শেয়ারের দাম বা লেনদেনকে প্রভাবিত করতে পারে।
অর্থাৎ কোম্পানিটির ব্যবসায়িক কার্যক্রম বা আর্থিক অবস্থানে এমন কোনো নাটকীয় পরিবর্তন ঘটেনি, যা এই দরবৃদ্ধিকে যৌক্তিক করতে পারে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য বলছে, কোম্পানিটির শেয়ারের দাম গত এক মাসে দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। গত ২৬ জুলাই কোম্পানিতে শেয়ার দাম ছিল ২১ দশমিক ১০ টাকায়। আর গত ৪ আগস্ট কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২৬ দশমিক ৩০ টাকায়। ফলে গত কয়েক কার্যদিবসে কোম্পানি শেয়ারের দাম বেড়েছে ৫ দশমিক ২০ টাকা বা ২৪ দশমিক ৬৪ শতাংশের বেশি।
মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। কোনো কোনো সেশনে দৈনিক লেনদেন অন্যান্য স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। সাধারণত ছোট মূলধনি কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে এমন লেনদেনের তীব্রতা প্রায়ই কৃত্রিম চাহিদাকে ইঙ্গিত করে।
প্রসঙ্গত, একমি পেস্টিসাইড লিমিটেড শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০২১ সালে। ‘বি’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ১৩৫ কোটি টাকা। সে হিসাবে কোম্পানিটির শেয়ার সংখ্যা ১৩ কোটি ৫০ লাখ। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে ৩১ দশমিক ৮০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ১৮ দশমিক ৮০ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৪৯ দশমকি ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।




