বস্ত্র খাতে রেকর্ড লেনদেন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
ইতিবাচক আয়ের সম্ভাবনা, আকর্ষণীয় লভ্যাংশ ঘোষণা এবং ভূ-রাজনৈতিক সংকটে সাময়িক স্থিতিশীলতার জেরে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বস্ত্র খাতের শেয়ার কেনাবেচায় নজিরবিহীন গতি দেখা গেছে। ৩০ জুলাই সমাপ্ত সপ্তাহের বাজার প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ডিএসইর মোট লেনদেনের সিংহভাগই ছিল এই খাতের দখলে।
বিদায়ী সপ্তাহে বাজারের মোট লেনদেনের ২২.৫ শতাংশ একা দখল করে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বস্ত্র খাত। মূলত বাজার পুনরুদ্ধারের ধারায় বিনিয়োগকারীদের সবচেয়ে বেশি সক্রিয়তা দেখা গেছে এই খাতেই। মধ্যপ্রাচ্য সংকটে সাময়িক স্থিতিশীলতা সামগ্রিক বাজারে যে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করেছিল, বিনিয়োগকারীরা তার বড় একটি অংশ প্রতিফলিত করেছেন বস্ত্র খাতের শেয়ার কেনার মাধ্যমে।
এই বিপুল আগ্রহের নেপথ্যে বড় ভূমিকা রেখেছে কোম্পানিগুলোর শক্ত আর্থিক ভিত্তি ও আকর্ষণীয় মুনাফা। বিশেষ করে এনভয় টেক্সটাইলের সমাপ্ত অর্থবছরের আয়ে ১৩৪.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণার খবর পুরো খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এতে শেয়ারগুলোতে বড় ধরনের ক্রয়চাপ তৈরি হয়, যা খাতটিকে সপ্তাহজুড়ে ৩.৯ শতাংশের মতো আকর্ষণীয় গড় রিটার্ন এনে দেয়।
সপ্তাহের শীর্ষ গড় লেনদেনের তালিকায় দেখা গেছে সায়হাম কটন, এফইকেডিআইএল, এম এল ডাইং এবং আর্গন ডেনিমের মতো বস্ত্র খাতের প্রথম সারির কোম্পানিগুলোর দাপট। এসব কোম্পানিতে প্রতিদিন বিপুল অংকের টাকা লেনদেন হয়েছে। এর পাশাপাশি সায়হাম টেক্সটাইল, রিজেন্ট টেক্সটাইল ও রিং শাইনের মতো শেয়ারগুলোর অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি সামগ্রিক খাতের গতিকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
সব মিলিয়ে, আয়ের ভালো খবর ও সামগ্রিক বাজার চাঙ্গা হওয়ার প্রত্যাশায় বিদায়ী সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের প্রথম পছন্দ ছিল বস্ত্র খাত।






