এপেক্স স্পিনিংয়ের এক মাসে ৬১ শতাংশ দর বৃদ্ধি

সংগৃহীত ছবি
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলসের ব্যবসায় উন্নতি হওয়ার নেই কোনো খবর। বরং চলতি অর্থবছরে ব্যবসা নিম্নমুখী। এ ছাড়া লভ্যাংশও আটকে আছে একই জায়গায়। তারপরও গত এক মাসে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ৬১ শতাংশ।
এই অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির পেছনে যৌক্তিক কোনো কারণ খুঁজে পায়নি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, গত ২৪ মার্চ এপেক্স স্পিনিংয়ের শেয়ারদর ছিল ১৯০.৯০ টাকা, যা ২১ এপ্রিল লেনদেন শেষে দাঁড়িয়েছে ৩০৭.৯০ টাকায়। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে শেয়ারটির দর বেড়েছে ১১৭.০০ টাকা বা ৬১ শতাংশ।
এপেক্স স্পিনিংয়ে শেয়ারদর এমন বৃদ্ধি নিয়ে কোম্পানি কর্তৃপক্ষের কাছে কারণ জানতে চেয়ে ব্যাখ্যা চায় ডিএসই কর্তৃপক্ষ। ডিএসইর ব্যাখ্যা তলবের উত্তরে কোম্পানির পক্ষ থেকে সম্প্রতি জানানো হয়েছে, কোনোরকম অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) ছাড়াই তাদের শেয়ারদর এভাবে বাড়ছে।
অথচ কোম্পানিটির ব্যবসা নিম্নমুখী রয়েছে। যাতে শেয়ারদরে নেতিবাচক প্রভাব পড়া স্বাভাবিক। কিন্তু উল্টো শেয়ারদর বাড়ছে।
দেখা গেছে, এপেক্স স্পিনিংয়ের চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫) শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.৬৯ টাকা, যার পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২.০১ টাকা। এ হিসাবে ইপিএস কমেছে ০.৩২ টাকা বা ১৬ শতাংশ।
এ ছাড়া কয়েক বছরে ধরে একই জায়গায় আটকে আছে এপেক্স স্পিনিংয়ের লভ্যাংশ। গত ৫ বছর (২০২১-২০২৫) কোম্পানিটির পর্ষদ ২০ শতাংশ করে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া এপেক্স স্পিনিংয়ের ৮ কোটি ৪০ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধন রয়েছে। এর মধ্যে শেয়ারবাজারের বিভিন্ন শ্রেণীর বিনিয়োগকারীদের (উদ্যোক্তা/পরিচালক ছাড়া) মালিকানা রয়েছে ৪৮.৭৮ শতাংশ।

