ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির নেতৃত্বে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের উপস্থিতি

সংগৃহীত ছবি
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান লিথুয়ানিয়ার ভিলনিয়াসে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস (আইএইউপি) সেমি-অ্যানুয়াল কনফারেন্স ২০২৬-এ বিশিষ্ট বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। ২৯ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত আয়োজিত এই সম্মেলনে তিনি বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে নেতৃত্বের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
“নৈতিকতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্বের মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে নেতৃত্ব” শীর্ষক প্রবন্ধে তিনি নৈতিক শাসনব্যবস্থা, অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্ব, উদ্ভাবন এবং ভবিষ্যৎ উপযোগী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির টেকসই অবকাঠামো, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক নীতিমালা এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক অংশীদারিত্বকে একটি কার্যকর মডেল হিসেবে উপস্থাপন করেন।
সম্মেলনের ফাঁকে ড. সবুর খান লিথুয়ানিয়ার শিক্ষা, বিজ্ঞান ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ড. রেজিনা ভালুটিতে’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সাক্ষাতে উভয়ের পূর্ববর্তী একাডেমিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
আইএইউপি-এর ট্রেজারার-ইলেক্ট হিসেবে ড. সবুর খান বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক একাডেমিক সংলাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন। তার ভাষ্য, উচ্চশিক্ষায় বৈশ্বিক সহযোগিতা টেকসই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর এ প্রক্রিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মাইকোলাস রোমেরিস বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল “দৃঢ় মানসিকতা ও উদ্ভাবনী পথচলা: বৈশ্বিক রূপান্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব”। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ও শিক্ষাবিদরা অংশ নেন।
সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১৯ থেকে ২১ নভেম্বর ২০২৬ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি আইএইউপি সেমি-অ্যানুয়াল কনফারেন্স আয়োজন করবে। আইএইউপি-এর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ এশিয়ায় এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা সহযোগিতায় একটি উদীয়মান কেন্দ্র হিসেবে আরও দৃশ্যমান হবে এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বৈশ্বিক অবস্থান শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।



