এসবিএসি ব্যাংকের অর্ধবার্ষিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন

ছবি: সৌজন্য
এসবিএসি ব্যাংক পিএলসির অর্ধবার্ষিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে আয়োজিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মোখলেসুর রহমান।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এস. এম. মঈনুল কবীরের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল হক, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান (এফসিএমএ), এ কে এম দেলাওয়ার হুসেন (এফসিএমএ), ইমরুল আনোয়ার, মেজর (অব.) আবু ফাতেহ মো. বশিরুর রহমান এবং স্বতন্ত্র পরিচালক অধ্যাপক মো. মাকসুদুর রহমান সরকার (এফসিএমএ) ও জিয়াউর রহমান জিয়া (এফসিএ)।
এ ছাড়া অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন ভূঁইয়াসহ ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী, বিভাগীয় প্রধান, শাখা ব্যবস্থাপক ও উপশাখার ইনচার্জরা সম্মেলনে অংশ নেন।
সম্মেলনে জানানো হয়, চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংকের আমানত ১২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যা ছয় মাসে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা বা ১২ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে ব্যাংকের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে পরিচালন মুনাফা হয়েছে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা। ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন বর্তমানে ৮২৪ কোটি টাকা এবং মূলধন পর্যাপ্ততার হার ১৩ দশমিক ৪০ শতাংশ।
চেয়ারম্যান মো. মোখলেসুর রহমান বলেছেন, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও এসবিএসি ব্যাংক আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। ব্যাংকে কোনো তারল্যসংকট সৃষ্টি হয়নি এবং গ্রাহকেরা নির্বিঘ্নে প্রয়োজনীয় অর্থ উত্তোলন করতে পেরেছেন। তিনি বলেন, সুশাসন, ব্যাংকিং বিধিবিধান পরিপালন, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা পর্ষদ কাজ করছে।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস. এম. মঈনুল কবীর বললেন, উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ব্যাংকটি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) এবং নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদানে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে রেমিট্যান্স আহরণ, বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা জোরদার এবং শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিংয়ের পরিসর বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ব্যাংকের অন্যতম লক্ষ্য খেলাপি ঋণ এক অঙ্কে (সিঙ্গেল ডিজিট) নামিয়ে আনা। এ জন্য মানসম্মত গ্রাহক নির্বাচন এবং ঋণ আদায় ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা হবে।




