Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বাণিজ্য

নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি কাটিয়ে ইতিবাচক ধারায় রপ্তানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬, ১৯:১২
নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি কাটিয়ে ইতিবাচক ধারায় রপ্তানি

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে হাওয়া লেগেছে বসন্তের। টানা আট মাসের মন্দা কাটিয়ে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে রপ্তানি আয়ে ঘটেছে এক অভাবনীয় উল্লম্ফন। গত বছরের এপ্রিলের তুলনায় এ বছর আয় বেড়েছে প্রায় ৩২ দশমিক ৯২ শতাংশ। ইতিবাচক এই পরিবর্তনের ফলে এপ্রিল মাসে মোট রপ্তানি আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৯ হাজার কোটি টাকা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা।

আজ রবিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বরাবরের মতো রপ্তানির এই সাফল্যে নেতৃত্ব দিচ্ছে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত। আলোচ্য মাসে পোশাক খাত থেকে আয় হয়েছে ৩৮ হাজার ৩১৯ কোটি টাকা, যা গত বছরের এপ্রিলের তুলনায় ৩১ দশমিক ২১ শতাংশ বা প্রায় ৯ হাজার ১১৪ কোটি টাকা বেশি। মার্চ মাসের তুলনায় এপ্রিল মাসে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১৯ দশমিক ১৩ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ১০ মাসে পোশাক খাতের মোট রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯৭৫ কোটি টাকা। যদিও পুঞ্জীভূত হিসেবে গত বছরের চেয়ে এই আয় সামান্য কম (২.০২ শতাংশ)। তবে এপ্রিলের এই উল্লম্ফন পুরো খাতের জন্য এক নতুন আশার আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তৈরি পোশাকের পাশাপাশি অন্যান্য অপ্রচলিত ও গুরুত্বপূর্ণ পণ্যগুলোর রপ্তানিও আশাব্যঞ্জক হারে বেড়েছে। কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিতে ৪৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে এপ্রিল মাসে রপ্তানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৬১ শতাংশ। মাছ ও অন্যান্য প্রাথমিক পণ্যের রপ্তানিতেও ৩৯ দশমিক ৬ শতাংশের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।

বাংলাদেশের পণ্যের প্রধান বাজারগুলোতেও প্রবৃদ্ধির ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪৩.০১ শতাংশ। দ্বিতীয় প্রধান বাজার হিসাবে যুক্তরাজ্যের বাজারে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ২৩.৪৬ শতাংশ। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে স্পেনে ৪৩.৫৪ শতাংশ, জার্মানিতে ১৬.১৮ শতাংশ এবং ফ্রান্সে ২৪.১৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে।

প্রতিবেশী দেশ ভারত ও জাপানেও রপ্তানি বেড়েছে যথাক্রমে ২৫.১৪ শতাংশ এবং ২৭.৪৮ শতাংশ হারে। তথ্যমতে, বাংলাদেশের শীর্ষ ২০টি রপ্তানি গন্তব্যের প্রতিটিতেই এবার ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে, যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শক্তিশালী অবস্থানের প্রমাণ দেয়।

রপ্তানি খাতের এই ঘুরে দাঁড়ানো দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি স্বস্তির বার্তা। আন্তর্জাতিক বাজারে মুদ্রাস্ফীতি কিছুটা শিথিল হওয়া এবং বাংলাদেশের প্রতি বিশ্বনেতাদের আস্থাই এই প্রবৃদ্ধির পেছনে কাজ করছে বলে মনে করা হচ্ছে। রপ্তানিকারকরা আশা করছেন, প্রবৃদ্ধির এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছর শেষে বাংলাদেশ রপ্তানি আয়ের নতুন রেকর্ড গড়তে সক্ষম হবে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোইতিবাচক
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise