ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, ইউএনও অফিস ভাঙচুর

গাইবান্ধার ফুলছড়ি ইউএনও কার্যালয়ে ভাঙচুর— সংগৃহীত
গাইবান্ধার ফুলছড়িতে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে জনবল নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়েছেন নিয়োগবঞ্চিতরা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ ভবনের দ্বিতীয় তলায় ইউএনওর কার্যালয়ে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ফুলছড়ি ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান তার কার্যালয়ে ভাঙচুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী মঙ্গলবার দুপুর একটার দিকে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ করেন নিয়োগবঞ্চিতরা। এ সময় তারা প্রকাশিত নিয়োগের ফলাফল বাতিলের দাবি জানান। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা উপজেলা পরিষদ ভবনের দ্বিতীয় তলায় উঠে ইউএনওর কার্যালয়ে ভাঙচুর চালান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভকারীরা কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল, ফুলের টব ও জানালার কাচ ভাঙচুর করেন। পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। ভাঙচুরের নেতৃত্বে ফুলছড়ি উপজেলা যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছিলেন বলে জানা গেছে।
শান্ত হোন, হুঁশে আসেন
১১ আগস্ট ২০২৬
বিক্ষোভকারীদের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউএনও বললেন, ‘ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে অনিয়ম বা দুর্নীতির কোনো অভিযোগের বিষয় তার জানা নেই। তাদের এ বিষয়ে অবগতও করা হয়নি।’ তিনি বলেন, তারা স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছেন।
তবে ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদিন জয় দাবি করেন, ইউএনও যে ফলাফল দিয়েছেন, অর্থাৎ তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফলাফলে বেশির ভাগই ফ্যাসিস্ট-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জড়িত। এর প্রতিবাদে তারা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেছেন। সেখানে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও ছিলেন।
ভাঙচুরের সঙ্গে বিএনপি বা এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে জয়নাল আবেদিন জয় বলেন, ‘কারা ভাঙচুর করেছেন, আমরা তা জানি না।’





