গয়েশ্বর
ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সহনশীলতার চর্চাই সমাজকে এগিয়ে নেয়

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ছবি : আগামীর সময়
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বললেন, কোনো ধর্মই অন্যায়, অবিচার কিংবা খারাপ কাজকে সমর্থন করে না। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষার চর্চা সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আজ সোমবার কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় সনদপত্র ও অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উমর ফারুক।
এ সময় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় উল্লেখ করেন, সব ধর্মেই ভালো ও মন্দ কাজের প্রতিফল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়েছে। মানুষ তার কর্ম অনুযায়ী ফল ভোগ করবে। ধর্মীয় মূল্যবোধের পরিপন্থী কোনো আইন বা ব্যবস্থা সমাজে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।
তার ভাষ্য, ধর্ম ও কর্ম একে অপরের পরিপূরক। রাষ্ট্রের আইন ও দেশের প্রচলিত নিয়মকানুন মেনে চলার মধ্য দিয়েই একটি সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ে ওঠে। কোনো ধরনের উগ্রবাদ বা অসহিষ্ণুতার স্থান এ দেশে নেই।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বললেন, সেই সময়ে নানা বিধিনিষেধের কারণে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায়ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছিল। এমনকি আমাকে ইফতার মাহফিল আয়োজন করতেও বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল। পরে আমি গাড়িতে করে বিভিন্ন এলাকায় ইফতারসামগ্রী বিতরণ করেছি।
তিনি যোগ করেন, ইসলাম যেমন নিরাকার আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের শিক্ষা দেয়, তেমনি আমি একজন হিন্দু হিসেবে সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করি। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় সহনশীলতাই সমাজে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি।
অনুষ্ঠানে কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু, কেরানীগঞ্জ উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইনচার্জ মো. আল-আমীন, বিএনপি নেতা আলী হোসেন আলী ও চঞ্চল, যুবদল নেতা আরমান উল্লাহ ডাবলুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।




