পাউবো কার্যালয় ঘেরাও নদীভাঙা মানুষের

রংপুরে পাউবো কার্যালয় ঘেরাও নদীভাঙা মানুষের— আগামীর সময়
তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে ঘরবাড়িসহ ফসলি জমি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন রংপুরের নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। ভাঙনরোধে কার্যকর উদ্যোগ না থাকার অভিযোগ তুলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) রংপুর কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন নদীপাড়ের মানুষজন।
আজ রবিবার দুপুরে নগরীর আলমনগরে পাউবো কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন তারা। পরে কার্যালয় ঘেরাও করে ভাঙনকবলিত এলাকায় দ্রুত জিওব্যাগ ফেলে নদীভাঙন প্রতিরোধসহ স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, চলতি মৌসুমে কয়েক দফা ভাঙনে অনেক পরিবার তাদের বসতভিটা, আবাদি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা হারিয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
গঙ্গাচড়ার চর বাগডোহরা মিনারবাজার এলাকার বাসিন্দা গোফ্ফার হোসেন বললেন, ‘অস্তিত্ব রক্ষায় নিজেদের অর্থে স্বেচ্ছাশ্রমে একটি বাঁধ নির্মাণ করেছিলেন তারা। কিন্তু এবারের বন্যায় সেটিও ভেঙে গেছে। এতে অন্তত ১০ পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় হুমকিতে রয়েছে আরও শতাধিক পরিবার। তার অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা তাদের খোঁজখবরও নেননি।
নদীপাড়ের মানুষজন জানান, এলাকাবাসী চাঁদা তুলে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণ করেছিল। পাউবোর অবহেলার কারণে তাও এবারের বন্যায় ভেঙে গেছে। সময়মতো উদ্যোগ নিলে অনেক মানুষের ঘরবাড়ি ও জমি রক্ষা করা সম্ভব হতো। ভাঙন রোধে দ্রুত স্থায়ী সমাধান দাবি করে তারা বলেন, অন্যথায় আরও বড় আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেছেন, ‘যেখানে ভাঙন দেখা দিয়েছে-সেখানে জিওব্যাগ ফেলে তা প্রতিরোধের কাজ চলছে। তিস্তার ডানতীরের ভাঙন নিয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ মূলত নদীর ভেতরের অংশকে ঘিরে। সেখানে কিছু মানুষ বসবাস করছেন এবং এলাকাটি নিম্নাঞ্চল। তারপরও তাদের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে ‘





