জাফলং পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

ছবি: আগামীর সময়
সিলেট থেকে পর্যটনকেন্দ্র জাফলং পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে মাঠপর্যায়ে সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে শনিবার সিলেট সফরে আসেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
এদিন দুপুরে ট্রেনে সিলেটে পৌঁছানোর পর মন্ত্রী বাসযোগে রেল সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান এবং রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে জাফলংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন।
সফরকালে সিলেট-জাফলং রুটে রেললাইন স্থাপনের প্রাথমিক সম্ভাবনা ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এর আগে সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছিলেন, সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর প্রকল্পটির পূর্ণাঙ্গ ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্পন্ন করা হবে।
মন্ত্রী বলেছিলেন, এই রুটে রেলপথ চালু হলে পণ্য পরিবহনে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে ওয়াগনের মাধ্যমে কম খরচে পাথরসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহন সহজ হবে। পাশাপাশি পর্যটকদের যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে, যা জাফলংয়ের পর্যটন শিল্পের বিকাশেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
সিলেটে পৌঁছানোর আগে যাত্রাপথে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের ভানুগাছ রেলওয়ে স্টেশনও পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। সকাল প্রায় ১১টার দিকে আন্তঃনগর পারাবত এক্সপ্রেস শ্রীমঙ্গল স্টেশনে পৌঁছালে সেখানে স্টেশনের সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় সফরসঙ্গী ছিলেন রেল সচিব, শ্রম সচিব, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পরে ভানুগাছ স্টেশনে ট্রেনের যাত্রাবিরতির সময় মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। রেলসেবার বিভিন্ন সমস্যা ও ভোগান্তির কথা শুনে সেগুলো দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তারা।
ভানুগাছ স্টেশনে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ ছাড়া সফরসূচির অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সিলেট পর্যন্ত রেলপথ, বিভিন্ন স্টেশন এবং অবকাঠামোগত সমস্যাও পর্যায়ক্রমে সরেজমিনে পরিদর্শনের কথা রয়েছে।






