Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

পটুয়াখালী

বাইকের চাকায় রঙের কৌশল, তবু উধাও তেল

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৫৭
বাইকের চাকায় রঙের কৌশল, তবু উধাও তেল

ছবিঃ আগামীর সময়

পটুয়াখালী শহরের ফিলিং স্টেশনগুলোতে হঠাৎ করেই বেড়েছে তেলের চাহিদা। এক মাস আগেও পটুয়াখালীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে সপ্তাহে তিন থেকে চারটি ট্যাং লরি তেল এলেই স্বাভাবিক চাহিদা মিটে যেত। তখন তেলের জন্য তেমন কোনো চাপ বা দীর্ঘ লাইন দেখা যেত না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে গেছে। একদিন পরপর ১৬ হাজার লিটার তেল সরবরাহ করা হলেও তা একদিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে পাম্পগুলোতে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র চাপ ও দীর্ঘ ভিড়।

স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন আসা এই তেলের মধ্যে থাকে ৮ হাজার লিটার ডিজেল, ৪ হাজার লিটার অকটেন ও ৪ হাজার লিটার পেট্রোল। কিন্তু ক্রমবর্ধমান মোটরসাইকেলের ভিড়ে এই তেল একদিনেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।

পটুয়াখালী শহরের সরকার ব্রাদারস ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সজল গাইন জানান, আগে ঢাকা-কুয়াকাটাগামী যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী পরিবহনই বেশি তেল নিত। কিন্তু এখন মোটরসাইকেলের চাপ এত বেশি যে আগের চাহিদা অনুযায়ী তেল পেলেও গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি আক্ষেপ করে জানালেন, এত তেল কোথায় যায়, সেটাই বুঝতে পারছি না। বিষয়টি প্রশাসনেরও দেখা উচিত।

এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সজল গাইন নিয়েছেন এক অভিনব কৌশল। পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেলের পেছনের চাকায় সাদা রঙ দিয়ে চিহ্নিত করা হচ্ছে, যাতে কেউ দিনে দুইবার তেল নিতে না পারে।

এ বিষয়ে সজল গাইন বলেছেন, ‘অন্তত দিনে দুইবার কেউ তেল নিতে পারছে না, এটা নিশ্চিত করা যাচ্ছে।’

তবে এই কৌশল নিয়েও কমছে না ভিড়। শহরের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের যানবাহনেও এই পাম্প থেকেই তেল সরবরাহ করা হয়, ফলে সারাক্ষণই ভিড় লেগে থাকে।

জেলার অন্য পাম্পগুলোতেও একই চিত্র দেখা গেছে। পায়রা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার এম এ মজিদ মিয়া জানান, প্রতিদিন ১৩ হাজার লিটার তেল পেলেও চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না। এক মাস আগেও এমন অবস্থা ছিল না। এখন প্রতিদিনই মোটরসাইকেলের চাপ বাড়ছে।

স্থানীয়দের ধারণা, অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনে মজুত করছেন। এর সত্যতা মেলে বাদুরা এলাকার মোটরসাইকেল চালক হালিম মোল্লার কথায়। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের এলাকায় তেল পাওয়া যায় না, তাই একবারে ট্যাংকি ভর্তি করে নিই। মাঝে মাঝে অন্যদেরও বোতলে করে দিয়ে দিই।’

এদিকে তেলের সীমিত সরবরাহে বিপাকে পড়েছেন পণ্যবাহী ট্রাক চালকেরা। ট্রাকচালক সজল বিশ্বাস জানান, ঢাকা থেকে গলাচিপা পর্যন্ত আসতে প্রায় ১২০ লিটার তেল লাগে। কিন্তু পাম্পে ৫ থেকে ১০ লিটারের বেশি তেল দেয় না। এতে সময়ও বেশি লাগে, আবার পণ্যও নষ্ট হয়।

তবে জেলা প্রশাসনের দাবি, কোথাও তেলের ঘাটতি নেই। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারেক হাওলাদারের ভাষ্য মতে, প্রতিদিন প্রতিটি উপজেলায় তেলের সরবরাহ ও বিতরণ মনিটরিং করা হচ্ছে।

তবুও বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা—তেল আসছে ঠিকই, কিন্তু তা যেন অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে মুহূর্তেই। ফলে সাধারণ চালক থেকে শুরু করে পণ্যবাহী পরিবহন সবাই পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

পটুয়াখালীতেল সংকটবাইকের চাকারঙ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise